১৩ রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠাল সৌদি আরব

অবৈধভাবে বসবাসের অভিযোগে ১৩ রোহিঙ্গা মুসলমানকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠিয়েছে সৌদি আরব। 

জেদ্দা থেকে সোমবার (৭ জানুয়ারি) দিবাগত রাত দুইটায় সৌদি এয়ারলাইনসের (এসভি৮০২) বিমানযোগে তাদের বাংলাদেশে পাঠানো হয়। বর্তমানে ঢাকা ইমিগ্রেশনের হেফাজতে রয়েছেন তারা।

কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল জাজিরা জানায়, এই রোহিঙ্গারা সৌদি আরবে অনুপ্রবেশকারী বা অবৈধভাবে অবস্থানকারী। তাদের মিয়ানমারের পরিবর্তে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

এর আগে সোমবার লন্ডন থেকে পরিচালিত মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট আইয়ের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, ভুয়া পাসপোর্ট ও কাগজপত্র ব্যবহার করে সৌদি আরবে পাড়ি জমানো কয়েকশ সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা মুসলিমকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর জোর প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে রিয়াদ।

শুমাইসি আটক কেন্দ্রে থাকা রোহিঙ্গারা মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট আইকে একটি ভিডিও ফুটেজ ও কয়েকটি অডিও রেকর্ড পাঠিয়ে দেয়। এতে রোহিঙ্গা এক যুবককে বলতে শোনা যায়, গত ছয় বছর ধরে তিনি সৌদি আরবে রয়েছেন এবং এখন তাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হচ্ছে; যেখানে তিনি অন্যান্য রোহিঙ্গাদের মতো শরণার্থী হবেন।

নাই সান লুইন নামে একজন রোহিঙ্গা মানবাধিকারকর্মী জার্মানির ফ্রাংকফুট থেকে আল জাজিরাকে জানান, এসব রোহিঙ্গার বেশির ভাগই ২০১২ সালে সৌদি আরবে পাড়ি জমান। সে সময় রাখাইন রাজ্যে সহিংসতা শুরু হলে একটু ভালো জীবনের আশায় তারা মূলত দেশত্যাগ করেছিলেন। তখন থেকেই তারা বাংলাদেশের বিভিন্ন ক্যাম্পে থাকা স্বজনদের অর্থ সহায়তাও পাঠাতেন।

আল জাজিরা জানায়, তাদের বেশির ভাগই হজ পালনের ভিসা নিয়ে সৌদি আরবে গিয়েছিলেন। কিন্তু পরে দেশে না ফিরে সেখানে অবৈধভাবে বসবাস ও কাজ করতে শুরু করেন।

মন্তব্য লিখুন :