ইউরোপজুড়ে ভারী তুষারপাতে নিহত ২০

ইউরোপজুড়ে ভারী তুষারপাতে কমপক্ষে ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে। 

সবশেষ শুক্রবার (১১ জানুয়ারি) বুলগেরিয়ায় বরফ ধসে দুজন স্নোবোর্ডারের মৃত্যু হয়।

খারাপ আবহাওয়ার কারণে বলকান অঞ্চলের বিভিন্ন স্কুল বন্ধ হয়ে গেছে। এছাড়া প্রত্যন্ত গ্রামে যোগাযোগ ও বিদ্যুৎ সরবরাহ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।

বুলগেরিয়ান রেডক্রস জানিয়েছে, শুক্রবার বেলা ১২টার দিকে পিরিন পর্বতে ওই দুই স্নোবোর্ডারের মৃতদেহ পাওয়া গেছে। তারা দাবি করেছে, সতর্ক করা সত্ত্বেও ওই দুই স্নোবোর্ডার পর্বতে যায় এবং দুটি তুষারধসে তাদের মৃত্যু হয়।

ভারী তুষারপাতের কারণে জার্মানি ও অস্ট্রিয়ায় ভয়াবহ তুষারধস হয়েছে। এর ফলে ফ্রাঙ্কফুর্ট ও মিউনিখ বিমানবন্দরে ফ্লাইট বাতিল হয়ে গেছে।

জার্মানিতে একজন বরফ পরিষ্কারকারী গাড়ির চালকের মৃত্যু হয়েছে। তার গাড়ি একটি বরফের নদীর মধ্যে উল্টে গেলে তার মৃত্যু হয়।

মিউনিখের দক্ষিণে লেংগিরিসে পুলিশ জানিয়েছে, কয়েক ঘণ্টা পর ৪৮ বছর বয়সী ওই চালককে উদ্ধার করা হয়, কিন্তু পরে হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।


এদিকে কয়েক দিন আটকে থাকার পর শুক্রবার ৬৬ জার্মান কিশোরকে একটি পর্বতের গেস্টহাউস থেকে উদ্ধার করেছে অস্ট্রিয়ান সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টার।

ভারী ‍তুষারপাতের কারণে গাছ পড়ে যাওয়ার আশঙ্কায় শুক্রবার অস্ট্রিয়ার সালজবার্গের সব পার্ক, সরকারি বাগান, খেলাধুলার মাঠ এবং সমাধিস্থল বন্ধ রাখা হয়।

সুইজারল্যান্ডের পুলিশ জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার দেশটির পূর্বাঞ্চলের একটি হোটেলে এক তুষারধস আঘাত হানলে তিন ব্যক্তি আহত হয়।

আলবেনিয়ার জ্বালানিমন্ত্রী বলেছেন, একটি ক্ষতিগ্রস্ত সাপ্লাই লাইন ঠিক করার সময় একটি বিদ্যুৎ কোম্পানির এক কর্মীর হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে যায়।

অন্যদিকে আটকে পড়া মানুষজনকে উদ্ধার ও গ্রাম্য এলাকায় সড়ক পরিষ্কারের জন্য দুই হাজার সেনা ও অন্যান্য জরুরি উদ্ধারকর্মী মোতায়েন করেছে আলবেনীয় কর্তৃপক্ষ।

সার্বিয়ার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন জানিয়েছে, দেশটির দক্ষিণপশ্চিমাঞ্চলের বেশ কয়েকটি পৌরসভায় জরুরি পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। এসময় রাস্তায় বরফ জমা ও পর্বত এলাকার গ্রামগুলোর রাস্তাঘাট বন্ধ হয়ে যাওয়ার ব্যাপারে সতর্ক করে দেয়া হয়েছে।

মন্তব্য লিখুন :