প্রেমের টানে বাংলাদেশে ভারতীয় তরুণী

এই পারে আমি ওই পারে তুমি…মাঝে বিচ্ছেদের কাঁটাতার৷ তবে প্রেমের টানে এই সীমান্ত তুচ্ছ হয়ে যায়৷ বাধা পেরিয়ে ভারতীয় কিশোরী ঢুকে পড়েছিল বাংলাদেশে৷ সে এক হই হই কাণ্ড৷ তারপর নানা শলা পরামর্শের পালা চুকিয়ে প্রেমিককে দেখে তবেই শান্তি প্রেমিকার৷ আপাতত তাকে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ ফেরত পাঠিয়েছে৷

পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহারের দিনহাটা খারিদা হরিদাস গ্রামের বাসিন্দা রাজিয়া খাতুন৷ তার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক বাংলাদেশের কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীর বাসিন্দা জাহিদ হাসানের৷ কিন্তু দেখা হয়না তাদের৷ অগত্যা ঝুঁকি নিয়ে সীমান্ত পার হওয়ার কথাই মাথায় এসেছিল রাজিয়ার৷ সেই মতো গোপনে সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে চলে এসেছিল৷ তারপর রাজিয়া পৌঁছে গিয়েছিল তার প্রেমিকের বাড়ি৷

রাজিয়ার কাছে সব শুনে মাথায় হাত পড়ে জাহিদের আত্মীয়দের৷ তাঁরাই তড়িঘড়ি যোগাযোগ করেন কুড়িগ্রামের বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর সঙ্গে৷ অনুপ্রবেশকারী হিসেবে চিহ্নিত হয় রাজিয়া৷ তাকে নিয়ে শুরু হয় টানাপোড়েন৷ এদিকে বাড়ির মেয়ে সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে চলে গিয়েছে এটা জানতে পেরেই রাজিয়ার পরিবার যোগাযোগ করে বিএসএফের সঙ্গে৷ তার ছবি ও বিবরণ দিয়ে বিএসএফ বার্তা পাঠায় বিজিবিকে৷ তথ্য মিলে যেতেই বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে ফ্ল্যাগ মিটিং হয়৷

অবশেষে বাংলাদেশ থেকে ফের পশ্চিমবঙ্গে ফেরত পাঠানো হয়েছে রাজিয়াকে৷ সে ফিরে গিয়েছে কোচবিহারে তার বাড়িতে৷ শ্বশুরবাড়িতে যাওয়ার জন্য মুখিয়ে রয়েছে সে৷

মন্তব্য লিখুন :