মোদি সরকারের সিদ্ধান্তে বিপাকে তসলিমা নাসরিন

বিতর্কিত লেখার কারণে বাংলাদেশ থেকে নির্বাসিত হয়ে ভারতে আশ্রয় নেন তসলিমা নাসরিন। কলকাতাতে থাকাকালীন একটি বইকে কেন্দ্র করে রোষের মুখে পড়ে পশ্চিমবঙ্গ ছাড়তে হয় তাঁকে। এরপর চলে যান দিল্লি। তবে এবার নরেন্দ্র মোদির সরকারের একটি সিদ্ধান্তে বেশ বিপাকেই পড়েছেন লেখিকা।

৫ বছরের জন্য ভিসার মেবাদ বাড়ানোর আবেদন করা সত্বেও মাত্র ৩ মাসের ভিসা দেওয়া হয়েছে তাকে। ফলে তার ভারত থাকা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে।

ভিসার মেবাদ বাড়ানোর আবেদন অনেকদিন আগেই করেছিলেন তসলিমা। তবে কোনো সাড়া পাচ্ছিলেন না তিনি। তাই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে উদ্দেশ্য করে মঙ্গলবারই একটি ট্যুইট করেন। আগামী ২৭ জুলাই তাঁর ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু তার আগে ২৬ জুলাই তাঁকে ইউকে উড়ে যেতে হবে বলে ওই ট্যুইটে জানান তসলিমা।

এরপর বুধবারই তসলিমা জানান, প্রত্যেকবারই তিনি পাঁচ বছরের ভিসার মেয়াদের জন্য আবেদন জানান, কিন্তু মাত্র এক বছরের জন্য ভিসা মঞ্জুর করা হয়। কিন্তু এবার ব্যতিক্রম। এবারও তিনি পাঁচ বছরের জন্যই আবেদন করেছিলেন। কিন্তু মাত্র তিন মাসের জন্য সেই মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে।

এই বিষয়ে আবারও তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অফিশিয়াল ট্যুইটার হ্যান্ডেলকে মেনশন করে তসলিমা লিখেছেন, যাতে তাঁর আর্জি পুনর্বিবেচনা করা হয় আর অন্তত এক বছরের জন্যবাড়ানো হয় ভিসার মেয়াদ।

এর কয়েক ঘণ্টা বাদে ফের একটি ট্যুইট করেন তসলিমা। সেখঅনে তিনি মনে করিয়ে দেন যে ভিসার মেয়াদ ৫০ বছরের জন্য বাড়িয়ে দেওয়া হবে বলে আশ্বাস দিয়েছিলেন প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা বর্তমান প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। তাই অমিত শাহকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি ফের সাহায্যের আর্জি জানিয়েছেন। তবে অমিত শাহ এর কোনো উত্তর দেননি।

বর্তমানে সুইডেনের নাগরিক তসলিমা। ২০০৪ সাল থেকে তসলিমা ভারতীয় ভিসা পেয়ে আসছেন।

মন্তব্য লিখুন :