মা-ছেলে চুমু খেলে, সেটাও কি যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ?

বরাবরই বিতর্কিত মন্তব্যের  জন্য পরিচিত ভারতের সাংসদ আজম খান। এ বছর নির্বাচনী প্রচারেও প্রতিদ্বন্দ্বী জয়াপ্রদাকে নিয়ে অশালীন মন্তব্য করে বসেন তিনি। এরপর সংসদে তিন তালাক বিল নিয়ে আলোচনার সময় ডেপুটি স্পিকার রমাদেবীর উদ্দেশে তাঁর মন্তব্য নিয়ে বিতর্ক বড় আকার ধারণ করেছে।

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় এদিক ওদিক না তাকিয়ে তাড়াতাড়ি কথা শেষ করতে তাঁকে নির্দেশ দিয়েছিলেন রমাদেবী। জবাবে আজম খান বলে বসেন, ‘‘আমি তো আপনার দিকেই তাকিয়ে থাকতে চাই। আপনাকে আমার খুব ভাল লাগে। মনে হয় সারা ক্ষণ আপনার চোখে চোখ রেখে  কথা বলি।’’

এ নিয়েই তোলপাড় শুরু হয় গোটা ভারতে। আজম খানের বক্তব্য যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ ছিল দাবি করে তার পদত্যাগ চায় বিজেপি। পাশাপাশি তাকে মাফ চাওয়ারও আহ্বান জানায়। তবে এতে অস্বীকৃতি জানায় আজম খান। এ নিয়ে গত কয়েকদিন ধরেই বিতর্ক চলছে। এবার এ বিতর্কে মুখ খুলেছেন বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা হিন্দুস্তান আওয়ামি মোর্চা প্রধান নেতা জিতনরাম মাঁজি।

তিনি বলেন, আজম খানের মন্তব্যের ভুল ব্যাখ্যা করা হয়েছে। তাই ইস্তফা দেওয়ার প্রয়োজন নেই।

সমালোচকদের প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে তিনি বলেন, ‘দেখা হলে ভাই-বোন একে অপরকে জড়িয়ে ধরেন। চুমু খান। মাও ছেলেকে চুমু খান। সেটাও কি তাহলে যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ? আমার মতে, আজম খানের মন্তব্যের ভুল ব্যাখ্যা করা হয়েছে। তার জন্য ইস্তফা দেওয়ার প্রয়োজন নেই। বরং ক্ষমা চেয়ে নিলেই পারে।

মন্তব্য লিখুন :