চীনে রপ্তানি হচ্ছে গরুর ভুঁড়ি ও কুঁচিয়া

ঝিনাইদহ থেকে গরুর ভুঁড়ি, বুল স্টিক ও কুঁচিয়া রপ্তানি হচ্ছে চীনসহ এশিয়ার কয়েকটি দেশে। ফলে আসছে বৈদেশিক মুদ্রা।

ঝিনাইদহ শহর থেকে সাড়ে তিন বছর ধরে ক্ষুদ্র পরিসরে রপ্তানি হচ্ছে এসব পণ্য। আতাউর রহমান সুজন কয়েকজন চীনা অংশীদার মিলে এসব পণ্য রপ্তানি করছেন।
আতাউর রহমান সুজন জানান, তার বড়ো ভাই চীনে ব্যবসা করেন। তার মাধ্যমে গরুর ভুঁড়ি, বুল স্টিক ও কুঁচিয়া মাছ রপ্তানির বাজারের সন্ধান পান।

তিনি জানান, বিভিন্ন স্থান থেকে কসাইদের কাছ থেকে পাইকারদের মাধ্যমে গরুর ভুঁড়ি ও বুল স্টিক সংগ্রহ করেন। প্রতি কেজি ভুঁড়ির দাম ৪৮০ টাকা থেকে সাড়ে ৬০০ টাকা। বুল স্টিকের দাম ৭০০ টাকা। এরপর কারখানায় প্রক্রিয়াজাতকরণ করা হয়। এরপর কর্কশিটের ভিতর এয়ার টাইট করে প্যাকিং করে রপ্তানি করা হয়।

এ পণ্যের ক্রেতা প্রধানত চীন। তাছাড়াও কোরিয়া ও ভিয়েতনামে রপ্তানি করা হয়। সেখানে প্রতি কেজি বিক্রি করা হয় ১১ থেকে ১২ ডলার দামে। বছরে ৪০ টন গরুর ভুঁড়ি রপ্তানি করে থাকেন।

তিনি আরও জানান, কুঁচিয়া মাছ বুনো ও বাগদী সম্প্রদায়ের লোকেরা খাল, বিল ও পুকুর থেকে সংগ্রহ করে। তাদের কাছ থেকে প্রতি কেজি ২০০ থেকে সাড়ে ৩০০ টাকা দরে কেনা হয়। এরপর পানিভর্তি হাউজে মজুত করে রাখা হয়। কর্কশিটের ভেতর জীবিত প্যাকিং করা হয়। এরপর বিমানযোগে চীন, জাপান, কোরিয়া ও ভিয়েতনামে রপ্তানি করা হয়। সেসব দেশে প্রতি কেজি সাড়ে পাঁচ ডলার দরে বিক্রি করা হয়ে থাকে।

এ অঞ্চল থেকে আরো বেশি পরিমাণ গরুর ভুঁড়ি, বুল স্টিক ও কুঁচে মাছ রপ্তানির সুযোগ আছে। এসব দেশে গরুর ভুঁড়ি, বুল স্টিক ও কুঁচে মাছের ভালো চাহিদা রয়েছে বলে জানান তিনি।