টেকনাফ স্থলবন্দরের ১ মাসের আয় ১৪ কোটি ৭০ লাখ

কক্সবাজারের সীমান্ত উপজেলা টেকনাফের স্থলবন্দরে ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রথম মাসেই হিমায়িত মাছ, কাঠ ও গবাদিপশুসহ বিভিন্ন ধরনের পণ্য আমদানি-রপ্তানিতে ১৪ কোটি ৭০ লাখ ১২ হাজার টাকার রাজস্ব আয় হয়েছে।

বৃহস্পতিবার রাতে এ তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন টেকনাফ স্থলবন্দরের শুল্ক কর্মকর্তা মো. ময়েজ উদ্দিন।

তিনি বলেন, পার্শ্ববর্তী রাষ্ট মিয়ানমার থেকে সীমান্ত বাণিজ্যের আওতায় ৬৮ কোটি ৬৪ লাখ ৩৬ হাজার টাকার হিমায়িত মাছ, কাঠসহ বিভিন্ন ধরনের পন্য আমদানি করা হয়। আর, বাংলাদেশ থেকে ১ কোটি ২০ লাখ ১০ হাজার টাকার পণ্য মিয়ানমারে রপ্তানি করা হয়।

অন্যদিকে, দক্ষিণ চট্টগ্রামের একমাত্র করিডর শাহপরীর দ্বীপ দিয়ে মিয়ানমার থেকে ৬ হাজার ৭৪৪টি গরু ও ৩ হাজার ৩৫১টি মহিষ আমদানি করে ৫০ লাখ ৪৭ হাজার ৫০০ টাকার রাজস্ব আদায় করা সম্ভব হয়। এ স্থলবন্দর থেকে সদ্যসমাপ্ত জুলাই মাসে প্রায় ১৫ কোটি টাকার রাজস্ব আয় করা সম্ভব হয়েছে বলে জানান তিনি।