পেঁয়াজের বাজার থেকে এলো সুখবর

আকাশ ছুঁয়েছে পেঁয়াজের দাম। পরিস্থিতি এমন অবস্থা দাঁড়িয়েছে যে এক কেজি পেঁয়াজের দামে কেনা যাচ্ছে সমান পরিমাণ মুরগি বা আপেল। যার ফলে সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস উঠেছে নিত্যপ্রয়োজনীয় এই দ্রব্যটির উপর। দবে এরইমধ্যে এলো কিছুুটা খুশির খবর।

রাজধানীর পাইকারি বাজারে পেঁয়াজের দাম কমা শুরু হয়েছে। গত সপ্তাহের তুলনায় কেজিতে প্রায় ১০ টাকা কমেছে পেঁয়াজের দাম। তবে খুচরা বাজারে দাম এখনও কমেনি।

খুচরা বাজারে দেশি পেঁয়াজ এখনো ১২০ থেকে ১৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এর চেয়ে কিছুটা কম আমদানি করা পেঁয়াজের দাম। মিশর, চীন ও মিয়ানমার থেকে আনা পেঁয়াজ ৯০ থেকে ১১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

গত মাসে হঠাৎ করে পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দেয় ভারত। এরপরই দেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি পেতে থাকে। তবে বাজার স্থিতিশীল রাখতে কয়েকটি দেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানি করা হয়। তাতে লাভের লাভ কিছুই হয়নি।

মাঝখানে কয়েকদিন পেঁয়াজ ১০০ টাকার নিচে নামলেও অক্টোবরের শেষ দিকে আবার চলে যায় ১০০ টাকার উপরে। পাইকারি বাজারের ব্যবসায়ীরা বলছেন, এখন দাম কমতে থাকবে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে পেঁয়াজের দাম কেজিপ্রতি ১০০ টাকার নিচে নেমে আসবে।

শনিবার (২ নভেম্বর) রাজধানীতে পেঁয়াজের সবচেয়ে বড় পাইকারি বাজার শ্যামবাজারে পেঁয়াজের দরের এ চিত্র দেখা গেছে।

এ পাইকার জানান, পেঁয়াজের আমদানি বাড়ছে। গত বৃহস্পতিবার (৩১ অক্টোবর) দেশি পেঁয়াজ কেজিপ্রতি ১১৫ থেকে ১১৬ টাকায় বিক্রি হয়েছে। আজ (শনিবার) ১০০ থেকে ১০৩ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহের তুলনায় দাম কমেছে ১৫ থেকে ১৬ টাকা।

সামনে দাম কমবে কিনা, জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমদানির ওপর নির্ভর করছে পেঁয়াজের দাম বাড়া বা কমা। এ মৌসুমে পেঁয়াজ কেজিপ্রতি সর্বোচ্চ ১১৮ থেকে ১১৯ টাকায় বিক্রি করেছি। অথচ খুচরা বাজারে দাম বেশি।

এদিকে, ভারত পুনরায় বাংলাদেশে পেঁয়াজ রপ্তানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে সপ্তাহের শেষের দিক থেকেই ভারতীয় পেঁয়াজ আসতে শুরু করবে।