অল্প পুঁজিতে লাভজনক কিছু ব্যবসার আইডিয়া

অল্প পুঁজিতে লাভজনক ব্যবসা করতে কে না চায়। তাই আজ আপনাদের জন্য থাকছে অল্প পুঁজিতে কিছু লাভজনক ব্যবসা করার আইডিয়া বা পরামর্শ। কম পুঁজিতে লাভজনক ব্যবসা শুরু করা সত্যিই সম্ভব। তার জন্য প্রয়োজন দক্ষতা, উদ্ভাবনী শক্তি, সৃজনশীলতা আর অধ্যবসায়।

তাহলে জেনে নিন আইডিয়া গুলো:

অনলাইন বেকারি

রকমারি কেক, কুকিস বানাতে ভালোবাসেন? আত্মীয়-বন্ধুদের জন্মদিন-অ্যানিভারসারিতে আপনার বানানো কেকের কদর রয়েছে? তাহলে এই ছোট ব্যবসা আপনার জন্য। ওভেন-ফ্রেশ বেকারি আইটেমের চাহিদা প্রচুর, আর তা যদি আপনি একেবারে ক্রেতার ঘরে পৌঁছে দিতে পারেন তাহলে তো কথাই নেই। নিত্যনতুন রেসিপির চেষ্টা করুন, তৈরি করুন আপনার স্পেসালিটি। অল্প হাজার টাকায় শুরু করুন আপনার ব্যবসা। ঘরের ওভেনেই কেক-কুকিস বানিয়ে অনলাইনে বিক্রি করুন।

মিনারেল ওয়াটারের ব্যবসা

কম টাকায় লাভজনক ব্যবসা করতে হলে বাড়িতে বাড়িতে মিনারেল ওয়াটারের ড্রাম পৌঁছে দেওয়া একটা সহজ উপায়। শহরাঞ্চলে বহু পরিবারই পানীয় জলের জন্য অন্যের উপর নির্ভর করে। এই কাজ পরিশ্রমসাধ্য, সাইকেলে করে পানির ড্রাম টেনে নিয়ে যেতে হয় এ পাড়া থেকে ও পাড়া। বাসা বাড়িতে লিফ্ট না থাকলে পানির ড্রাম কাঁধে করে সিঁড়ি বেয়ে উঠে পৌঁছে দিতে হয় বহুতলে। এছাড়াও সব সময়ে পর্যাপ্ত পানি মজুত রাখা জরুরি, যাতে ক্রেতার প্রয়োজন হলে সঙ্গে সঙ্গে সরবরাহ করা সম্ভব হয়।

ফলের রসের কিয়স্ক

প্রথমেই বেছে নিতে হবে জায়গা। এমন জায়গায় কিয়স্ক করতে হবে যাতে সহজেই চোখে পড়ে। আসে পাশে অফিস, স্কুল, কলেজ থাকলে বিক্রি হওয়ার সুযোগ বেশি। ওই জায়গায় কিয়স্ক বসানোর অনুমতি পত্র যোগাড় করতে হবে, ভাড়া নিতে হবে জায়গা। এর পর দরকার কাঁচামাল আর ফলের রস তৈরির যন্ত্র। গোটাটাই ১০ হাজার টাকার কমে করে ফেলা সম্ভব।

ট্রাভেল এজেন্সি

অল্প পুঁজিতে ব্যবসা শুরু করতে হলে বিমান, রেল আর বাসের টিকিট বুকিংয়ের ব্যবসার কথা ভাবতে পারেন। অল্প টাকায় ব্যবসা শুরু করতে পারবেন। প্রয়োজন কম্পিউটার, ইন্টারনেট আর এজেন্ট হওয়ার জন্য অনুমতি। বাড়িতে বসে স্বল্প মূলধনে ব্যবসা করতে চাইলে সব থেকে সহজ উপায় হল হোস্ট এজেন্সির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হওয়া। প্রাথমিক বিনিয়োগের পরিমাণ নির্ভর করে হোস্ট এজেন্সির উপর।

অনলাইনে হস্তশিল্প সামগ্রী বিক্রি

দেশে রয়েছে হস্তশিল্পের বিপুল সম্ভার। অল্প টাকায় ব্যবসা শুরু করতে ছোট ছোট ঘর সাজানোর সামগ্রী সংগ্রহ করুন অথবা ছোট গয়না। গ্রামীণ শিল্পীরা অনেক কম দামেই বিক্রি করেন তাঁদের তৈরি সামগ্রী। তাই অত্যন্ত কম খরচে লাভের ব্যবসা করা সম্ভব।

চায়ের দোকান

চায়ের দোকান খুলতে ভাড়া করতে হবে একটা ছোট দোকান ঘর বা স্টল বসানোর জায়গা, কিনতে হবে কিছু বেঞ্চ আর টেবিল। অল্প টাকার মধ্যে হয়ে যাবে পুরোটাই। আর পাঁচটা চায়ের দোকানের থেকে খানিক আলাদা ভাবে সাজিয়ে নিন আপনার দোকান। দেওয়ালে ছবি আঁকাতে পারেন বা টেবিল-বেঞ্চের রঙে আনতে পারেন নতুনত্ব। দোকানের ডেকারসন এক্ষেত্রে হবে প্রধান। পাশাপাশি ভাল মানের চা যদি কম দামে বিক্রি করতে পারেন ব্যবসা বাড়বে। সঙ্গে মুখরোচক কিছু স্ন্যাক্সের ব্যবস্থাও রাখতে পারেন।