লাফিয়ে কমছে পেঁয়াজের দাম

ভারত রফতানি বন্ধের আদেশ তুলে নেয়ায় দেশের বাজারে কমতে শুরু করেছে পেঁয়াজের দাম। রাজধানীর বেশিরভাগ খুচরা বাজারে ৪০ টাকা কেজি দরে পাওয়া যাচ্ছে দেশি পেঁয়াজ। যা কিনা ১০ দিন আগেও ছিল ১২০ টাকা।

শুক্রবার রাজধানীর শ্যামবাজার, কারওয়ান বাজার, ফকিরাপুল, রামপুরা, শান্তিনগর, মালিবাগ হাজীপাড়া, সেগুনবাগিচা, খিলগাঁও অঞ্চলের বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।

বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সব থেকে ভালো মানের দেশি পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪৫-৫৫ টাকা। আর মোটামুটি ভালো মানের দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪০-৪৫ টাকার মধ্যে। এক সপ্তাহ আগে ভালো মানের দেশি পেঁয়াজের কেজি ছিল ৭০-৮০ টাকা। আর মার্চের শুরুতে ছিল ১০০-১২০ টাকা কেজি।

গত বছরের সেপ্টেম্বরে ভারত রফতানি বন্ধ করলে দেশের বাজারে হু হু করে দাম বেড়ে পেঁয়াজের কেজি ২৫০ টাকা পর্যন্ত উঠে যায়। এরপর সরকারের নানামুখী তৎপরতায় পেঁয়াজের দাম কিছুটা কমলেও তা আর একশ টাকার নিচে নামেনি।

তবে গত মাসের শুরুতে রফতানি বন্ধের নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয় ভারত, যা আগামী ১৫ মার্চ থেকে কার্যকর হবে। ভারত রফতানি বন্ধের নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়ার পর দেশের বাজারে দফায় দফায় কমতে থাকে পেঁয়াজের কেজি। চলতি মাসেই ভালো মানের দেশি পেঁয়াজের কেজি খুচরায় কমেছে ৮০ টাকা পর্যন্ত।

খুচরার পাশাপাশি পাইকারিতেও পেঁয়াজের দাম কমেছে। রাজধানীতে পেঁয়াজের অন্যতম পাইকারি বাজার শ্যামবাজারে বাছাই করা ভালো মানের দেশি পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩৮-৪০ টাকা। আর অবাছাই করা দেশি পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩২-৩৫ টাকা কেজি।

দেশি পেঁয়াজের পাশাপাশি আমদানি করা পেঁয়াজের দামও কমেছে। তবে আমদানি করা পেঁয়াজের দাম তুলনামূলক দেশি পেঁয়াজের থেকে বেশি। ভালো মানের আমদানি করা পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০-৬৫ টাকা। আর বড় পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০-৪৫ টাকা।

পেঁয়াজের পাশাপাশি রসুনের দামও কমেছে। সপ্তাহের ব্যবধানে আমদানি করা রসুনের দাম কেজিতে কমেছে ২০ টাকা পর্যন্ত। গত সপ্তাহে ১৭০-১৮০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া আমদানি করা রসুন এখন বিক্রি হচ্ছে ১৫০-১৬০ টাকায়। আর দেশি রসুনের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৭০-৮০ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ৮০-৯০ টাকা।