তৃণমূলের বাধা, বেনাপোল দিয়ে আমদানি-রফতানি বন্ধ

৪১ দিন পর বেনাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি-রফতানি বাণিজ্য চালু হলেও তৃতীয় দিনের মাথায় ফের তা বন্ধ করে দিয়েছে পেট্রাপোল বন্দর কর্তৃপক্ষ। এতে ফের বিপাকে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা।

বেনাপোল বন্দরের ওপারে ভারতের বনগাঁ তৃণমূল কংগ্রেসের আন্দোলনের কারণে সোমবার থেকে ফের এ পথে আমদানি-রফতানি বন্ধ হয়ে যায়।

জানা যায়, করোনাভাইরাসের কারণে দীর্ঘ ৪১ দিন বন্ধ থাকার পর ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশে গত বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে বেনাপোল বন্দর দিয়ে শুরু হয় দুই দেশের মধ্যে আমদানি-রফতানি বাণিজ্য।

ভারত-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের ডিরেক্টর মতিয়ার রহমান জানান, বনগাঁ উত্তরের সাবেক এমএলএ গোপাল শেঠ ও বনগাঁ পৌরসভার মেয়র শংকর আঢ্য ডাকু পণ্য রফতানিতে বিরোধিতা করেন। তারা কালীতলা পার্কিং থেকে পণ্যবোঝাই ট্রাক আসতে বাধা দেয়। সাধারণ তৃণমূল সমর্থকদের রাস্তায় নামিয়ে দিয়ে আন্দোলন শুরু করে দেয়।

বর্তমানে কালীতলা পার্কিংয়ে দাঁড়িয়ে আছে ১ হাজার ৯৮৩টি বিভিন্ন ধরনের পণ্যবোঝাই ট্রাক। এসব ট্রাক থেকে বনগাঁ পৌরসভা প্রতিদিন ছোট গাড়ি ৫০ টাকা, ৬ চাকা ৮০ টাকা, ১০ চাকা ১২০ টাকা ও ট্রেলার ১৬০ টাকা হারে পার্কিং চার্জ আদায় করে থাকে।

বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সাজেদুর রহমান জানান, সরকারিভাবে বা কাস্টমসের পক্ষ থেকে আমদানি-রফতানি বন্ধ করা হয়নি। ট্রাকচালকদের মাধ্যমে করোনা ছড়াতে পারে, এমন অজুহাতে বাংলাদেশে পণ্য রফতানি বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

বেনাপোল বন্দরের উপপরিচালক মামুন কবির তরফদার বলেন, ভারত থেকে দুদিনে ১৫ ট্রাক পণ্য আমদানি হয়েছে। নোম্যান্সল্যান্ডে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিধিবিধান মেনেই পণ্য ট্রান্সশিপমেন্ট করা হয়েছে। ভারতের বনগাঁও এলাকার জনগণের আন্দোলনের জন্য পণ্য আমদানি হয়নি।