রাবিতে নিয়োগে অনিয়ম তদন্ত করে দোষীদের শাস্তি দাবি

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগে সকল অনিয়ম তদন্ত করে দোষীদের শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মূল্যবোধে বিশ্বাসী প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের একাংশ।

সোমবার সন্ধ্যায় পাঠানো এক বিবৃতির মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের কাছে তারা এ দাবি জানান। এতে ১৪ জন শিক্ষক স্বাক্ষর করেন।

বিবৃতিতে শিক্ষকেরা বলেন, রাবি উপাচার্য অধ্যাপক আব্দুস সোবহানের 'জয় হিন্দ' বলা এবং উপ-উপাচার্য চৌধুরী মো. জাকারিয়ার নিয়োগ বাণিজ্য নিয়ে শিক্ষক সমাজের ৫৮ জন তাদের পদত্যাগ দাবিতে বিবৃতি দিয়েছিলাম। কিন্তু প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. এম মজিবুর রহমান আমাদের দাবিকে 'অনভিপ্রেত' বলে উল্লেখ করেন। আমরা মনে করি আহ্বায়কের এ ধরনের বক্তব্যের মাধ্যমে সত্য আড়াল করা ও প্রকৃত অপরাধীদের বাঁচানোর চেষ্টা করা হয়েছে।

বিবৃতিতে আরো তিনটি দাবির কথা উল্লেখ করেন শিক্ষকেরা,দাবি - অধ্যাপক চৌধুরী মো. জাকারিয়াকে সকল নিয়োগ কমিটি এবং আর্থিক সংশ্লিষ্টতা আছে এমন সব প্রকল্প কমিটি থেকে এই মুহূর্তে অব্যাহতি দেওয়া, আত্মীয় নিয়োগ করতে গিয়ে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে মানবতাবিরোধী ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের যে ঘটনা ঘটেছে তার সুষ্ঠু বিচার করা এবং টেন্ডারসহ রাবির সকল নির্মাণ কাজে আর্থিক দুর্নীতি অনুসন্ধান করা।

উল্লেখ্য, গত ২৬ সেপ্টেম্বর রাবি উপাচার্য একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনে জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু বলার পর 'জয় হিন্দ' বলেন এবং ৩০ সেপ্টেম্বর উপ-উপাচার্যের একটি ফোনালাপ ফাঁস হয়। যেখানে উপ-উপাচার্য এক চাকরি প্রত্যাশীর স্ত্রীর কাছে কত টাকা দিতে পারবে বলে জানতে চান। এরপর থেকেই তাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন করে আসছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।