শিশুদের রংতুলিতে বঙ্গবন্ধু

রাবার-পেন্সিল আর রংতুলির আঁচড়ে সাদা কাগজের মাঝে দেখা গেল জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে। কোঁকড়ানো সেই চুল, চশমাখানি আবার পরনে মুজিব কোট। মনের আবেগ আর অনুভূতি মিশিয়ে ছোট শিশুরা একেছে বঙ্গবন্ধু, জাতীয় স্মৃতিসৌধসহ মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার নানা স্মৃতিচিত্র।

মাত্র একটি দিন পার হলেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম শতবার্ষিকী উদযাপন করবে জাতি। কাঙ্খিত সেই দিনের অপেক্ষার প্রহর গুনছে গোটা জাতি। জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে শিশুদের নিয়ে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগীতার আয়োজন করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) কর্তৃপক্ষ।

রবিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাবরেটরি স্কুল এন্ড কলেজে এ প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হয়।

অফিসার্স এ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আলমগীর হোসেন খানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. রাশিদ আসকারী, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. শাহিনুর রহমান ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. সেলিম তোহা।  

এছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ১৭ ও ২৬ মার্চ উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক মাহবুবর রহমান, অধ্যাপক মামুনুর রহমান, প্রক্টর অধ্যাপক পরেশ চন্দ্র বর্ম্মণ, অধ্যাপক রুহুল কে এম সালেহ ও অধ্যাপক মেহের আলীসহ স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

ক,খ ও গ তিন ক্যাটাগরিতে শিশুরা এ প্রতিযোগীতায় অংশ নেয়। “ক” ক্যাটাগরিতে “গ্রাম বাংলার প্রাকৃতিক দৃশ্য”, “খ” ক্যাটাগরিতে “নদী মার্তৃক বাংলাদেশ” এবং “গ” তে “মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধু” বিষয়বস্তু নিয়ে প্রতিযোগীতায় অংশ নেয় শিক্ষার্থীরা। আগামী ১৭ মার্চ বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাবরেটরি স্কুল এন্ড কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের অংশগ্রহনে যথাক্রমে ক, খ, গ ক্যাটাগরিতে রচনা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে।

অনুষ্ঠানে উপাচার্য ড. রাশিদ আসকারী বলেন, ‘বাঙালী জাতির মুক্তির অঙ্কুরদগম হয়েছিল জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মের মধ্যে দিয়ে। তাই জাতির জনকের আদর্শ ও কর্মকে মগজে ও মননে ধারণ করে যার যার অবস্থান থেকে কাজ করে দেশকে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলায় পরিণত করতে হবে।’