জামালপুরে হিন্দু পরিবারের জমি দখল, নারীকে মারধর

জামালপুর সদরে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের এক নারীকে গাছের সাথে বেঁধে মারধর এবং অপর নারী শিক্ষককে লাঞ্চিত করে জমি দখল করার অভিযোগ উঠেছে।

সোমবার (২২ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে বিষয়টি প্রকাশ হয়েছে।

জানা যায়, জামালপুর সদরের কেন্দুয়া কালিবাড়ির খামারপাড়া গ্রামের স্কুল শিক্ষক সুমন দেবনাথ অভিযোগ করেন, জমি নিয়ে বিরোধ চলছে স্থানীয় মোকছেদ আলীর পুত্র প্রভাবশালী সুলতান মাহমুদ ফকিরের সাথে। সুমন দেবনাথের সাথে ১৫ শতাংশ জমি নিয়ে বিরোধ থাকলেও গত ১৮ এপ্রিল বুধবার বিরোধপূর্ণ জমিসহ সাথে থাকা আরো ১৬ শতাংশ জমি জবর দখল করে। বেদখলীয় জমিতে রাতারাতি পানের বরজ তৈরি করে সুলতান মাহমুদ ফকির।

এ ঘটনার প্রতিবাদ করার সুমন দেবনাথের মা ৫৮ বছর বয়সী প্রতিভা দেবনাথকে গাছের সাথে বেঁধে রাখে। এ সময় প্রতিভা দেবনাথের নাতী স্কুল শিক্ষিকা সুবর্ণা দেবনাথকে লাঞ্চিত করা হয়। পরে স্থানীয় লোকজন তাদের উদ্ধার করে।

নির্যাতনের ঘটনায় সদর উপজেলার নারায়নপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে সাধারণ ডায়েরি এবং পরদিন সদর থানায় সুলতান মাহমুদ ফকিরসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে নির্যাতিত পরিবার।

গত ১৯ এপ্রিল পুলিশ মামলার আসামি নজরুল ইসলাম নামে একজনকে গ্রেপ্তার করে। রবিবার মামলার আসামীরা আদালত থেকে জামিন নিয়েছে। জামিনে যাওয়া আসামিরা সংখ্যালঘু এই পরিবারকে হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ।

তবে সুলতান মাহমুদ ফকির নির্যাতনের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, নিজের ক্রয় করা জমি তিনি দখলে নিয়েছেন।

জামালপুর সদর থানার ওসি মো. সালেমুজ্জামান জানান, এ ঘটনায় মামলা দায়ের হলে পুলিশ একজনকে গ্রেপ্তার করে। রবিবার আসামিরা আদালত থেকে জামিন নিয়েছে।