কুড়িগ্রামে সড়কের গর্তে মাছ চাষ!

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার কেদার ইউনিয়নের কচাকাটা বাজার সড়কের বেহাল দশা। দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করে ফল না পেয়ে মাছ চাষ ও ধানের চারা রোপন করে প্রতিবাদ করেছে স্থানীয়রা।  

জানা যায়, সামান্য বৃষ্টিপাতে বড় বড় গর্তে পানি জমে পুকুর সাদৃশ্য হয়ে যায় সড়কটি এবং কাঁদায় একাকার সড়কটি চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয় পথচারীদের। কয়েক দিনের বৃষ্টিপাতে খানাখন্দে ভরা সড়কটিতে যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। প্রতিবাদে সড়কে খালে মাছ চাষের প্রতীকি প্রতিবাদ করেছে এলাকাবাসী।

বুধবার সকালে স্থানীয়রা সড়কটির কাঁদা মাটিতে ধানের চারা এবং খালে মাছ ছেড়ে দিয়ে “ এখানে ধান এবং মাছ চাষ করা হয়” সাইনবোর্ড টানিয়ে দেয়।

কচাকাটা স্ট্যান্ড হতে বাজারগামী সড়কটির এমন অবস্থায় ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে কচাকাটা বাজারের কয়েক শতাধিক ব্যবসায়ী, কচাকাকাটা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৫ শতাধিক, কচাকাটা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬ শতাধিক, কচাকাটা কিন্ডার গার্টেনের ৫ শতাধিক শিক্ষার্থীসহ বাজারে আসা হাজার হাজার জনতার। দীর্ঘদিন ধরে এমন দূর্ভোগ পোহাচ্ছে এই সড়কে পথচারীরা।

কচাকাটা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা বলেন-তাদের বিদ্যালয়ে যাতায়াতের একমাত্র রাস্তা। যেটি বছরের পর বছর কাঁদা পানিতে ভরে থাকে। ফলে তাদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়।

ব্যবসায়ী আবু সিদ্দিক, আব্দুর রশিদ, মিজানুর রহমান, রাহিমুল, আলী হোসেন, মজনুর রহমানসহ অনেকে জানান, রাস্তার এমন পরিস্থিতিতে তাদের ব্যবসায় চরম ক্ষতি হচ্ছে। ভারী যানবাহন না চলায় তাদের বাড়তি ভারা গুনতে হচ্ছে।

এ ব্যাপারে কেদার ইউনিয়ন চেয়াম্যান মাহবুবুর রমান বলেন, রাস্তাটির কিছু অংশ ইউনিয়ন পরিষদের তত্ত্বাবধানে পাকাকরণ করা হয়েছে। আরো কিছু অংশ পাকাকরণের চেষ্টা চলছে।

নাগেশ্বরী উপজেলা প্রকৌশলী বাদশা আলমগীর বলেন, সড়কটি সরকারের কোন বিভাগের তালিকায় নেই। ফলে নিয়মিত বরাদ্দ দেয়া সম্ভব হয় না। স্থানীয় চেয়ারম্যানের সহায়তায় এডিপির বরাদ্দে কিছুটা অংশ পাকাকরণ করা হয়েছে। এডিপি এবং এলজিএসপির বরাদ্দে বাকিটা পাকাকরণের জন্য চেয়ারম্যানকে বলা হয়েছে।