ইউএনওকে দেখেই দৌড় দিল বর!

বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলায় এক ছাত্রীর বাল্যবিয়ে বন্ধ করেছে উপজেলা প্রশাসন।

সোমবার বেলা ২টায় ঘটনাটি ঘটেছে নন্দীগ্রাম উপজেলার ২নং নন্দীগ্রাম ইউনিয়নের হাটলাল গ্রামে।

জানা যায়, হাটলাল গ্রামের আব্দুর রউফের মেয়ে রিয়ামনি (১৪) সপ্তম শ্রেণিতে লেখাপড়া করতো। তার পিতা-মাতা সিংড়া উপজেলার ১২নং রামানন্দ খাজুরা ইউনিয়নের বাকাইকুড়ি গ্রামের লোকমান আলীর ছেলে আলহাজ্ব উদ্দিন (২০) এর সাথে বিবাহ ঠিক করে।

গতকাল তাদের ধুমধামে বিবাহের প্রস্তুতি চলছিল। এমন সময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার শারমিন আখতার বিষয়টি জানতে পেরে পুলিশ নিয়ে দ্রুত বিয়ে বাড়িতে উপস্থিত হয়। তখন বরসহ বর পক্ষের লোকজন দ্রুতগতিতে বিয়ে বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। এরপর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শারমিন আখতার বাল্যবিবাহ বন্ধ করে দিয়ে মেয়ের পিতা-মাতার মুচলেকা গ্রহণ করেন।

এছাড়াও তিনি বাল্যবিবাহের কুফল সম্পর্কে ধারণা দিয়ে বলেন, বাল্যবিবাহের কারণে মেয়েদের মূল্যবান জীবন নষ্ট হয়ে যায়। তাই বাল্যবিবাহ দেয়া ঠিক নয়। বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা খালেদা ইয়াসমিন, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা শারমিন জাহান বিউটি ও ইউপি সদস্য সাইফুল ইসলাম গোলাপ প্রমুখ।