টেকনাফে বন্দুকযুদ্ধে রোহিঙ্গা নিহত, আহত ৩ পুলিশ

কক্সবাজারের টেকনাফে পুলিশের হাতে আটকের পর ‘বন্দুকযুদ্ধে’ একাধিক মামলার আসামি রোহিঙ্গা ডাকাত মাহমুদুল হাসান (৩৭) নিহত হয়েছেন।

বুধবার (১৩ নভেম্বর) সন্ধ্যায় আটকের পর পাহাড়ে অবস্থানকারী অপরাধী হিসেবে মাহমুদুল হাসানকে নিয়ে পুলিশ গভীর রাতে অস্ত্র উদ্ধারে গেলে এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে।

এ সময় তিন পুলিশ সদস্য আহত হন। ঘটনাস্থল থেকে একটি বিদেশি পিস্তল ও বুলেট উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন টেকনাফ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশ।

নিহত মাহমুদুল হাসান (৩৭) নয়াপাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পের এইচ ব্লকের মৃত বাকের আহমদের ছেলে।

টেকনাফ থানা সূত্র জানায়, হাসানকে নিয়ে গভীর রাতে টেকনাফ মডেল থানা পুলিশ শালবাগান ক্যাম্প সংলগ্ন পাহাড়ে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার অভিযানে গেলে রোহিঙ্গা ডাকাত এবং পুলিশের মধ্যে ব্যাপক গোলাগুলিতে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। এই ঘটনায় পুলিশ কনস্টেবল মিঠুন, শাহীন ও হাবিব আহত হন। পুলিশও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলিবর্ষণ করলে কিছুক্ষণ পর হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থল তল্লাশি করে একটি বিদেশি পিস্তল, বেশ কয়েক রাউন্ড বুলেটসহ গুলিবিদ্ধ ডাকাত মাহমুদুল হাসানকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে হস্তান্তর করা হয়। সেখানে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

টেকনাফ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশ বলেন, মরদেহটি উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। নিহত মাহমুদুল হাসান একাধিক মামলার আসামি ছিলেন। এ ঘটনায় পৃথক মামলা করা হচ্ছে।