বগুড়ায় ৩ তলা ভবনসহ ১৪ স্থাপনা উচ্ছেদ

বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার মোকামতলা বন্দরে ১৪টি দোকান ও ৩ তলা বিশিষ্ট স্থাপনা ভেঙে ফেলা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন ও স্থাপনা মালিকের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ পাওয়া গেছে।

জানা যায়, মোকামতলা বন্দর এলাকায় স্বাধীনতা যুদ্ধের পর স্থানীয় মরহুম মোফাক্খর হোসেন নান্নু চৌধুরী ৭৩ শতক জমি বগুড়া জেলা পরিষদের নিকট থেকে লিজ গ্রহণ করে ভোগদখল করতে থাকে। যেখানে তারা ১৪টি দোকানসহ একটি ৩ তলা বাড়ি তৈরি করে। এরই মধ্যে ১০ ডিসেম্বর সোমবার বগুড়া জেলা পরিষদের নির্দেশ মোতাবেক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আলমগীর কবীরের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে দোকান ও বাড়িটি ভেঙে দিয়ে উচ্ছেদ করা হয়।  

শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আলমগীর কবীর বলেন, এটি জেলা পরিষদের সম্পদ। জেলা পরিষদের নির্দেশ মোতাবেক ও আদালতের কোন স্থিতি অবস্থা (ষ্ট্রে অর্ডার) না থাকায় স্থাপনাটি উচ্ছেদ করা হয়েছে। কিন্তু স্থাপনা মালিককে অভিযোগ করে নান্নু চৌধুরীর ওয়ারীশ তার বৈধ কোন কাগজপত্রও নেই তাদের।

বৈধ কাগজপত্র না থাকার ব্যাপারে নান্নু চৌধুরীর ছেলে মুন্না চৌধুরী ও ফজলে রাব্বী বলেন, জেলা পরিষদ কর্তৃক জমি প্রদান করা হলেও জেলা পরিষদ থেকে কোন কাগজপত্র সরবরাহ করা হয়নি। তারা আরও বলেন, আজকাল করে কাগজপত্র প্রদানে কালক্ষেপণ করলে নিরূপায় হয়ে আমরা দলিল চেয়ে ২০১৫ সালে বগুড়া সাব-জজকোর্টে একটি মামলা দায়ের করি। মামলাটি এখনও বিচারাধিন অবস্থায় আছে, যা আগামী বছরের ২৬ জানুয়ারীতে শুনানির জন্য দিন ধার্য আছে। মামলা চলমান অবস্থায় এ ধরনের উচ্ছেদ অভিযান অবৈধ।