ঝালকাঠিতে প্রয়াত ভাষা সৈনিকের বাড়িতে ছাত্রলীগের হামলা

ঝালকাঠি উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্মসম্পাদক মাইনুল ইসলামসহ তার সহযোগীরা চাঁদার দাবিতে ঝালকাঠি শহরের পূর্ব চাঁদকাঠিতে সদ্য প্রয়াত ভাষা সৈনিক লাইলি বেগমের বাড়িতে হামলা চালিয়ে তাঁর ৪ মেয়ে ও দুই নাতনীকে মাঁরধর করেছে। হামলায় লাইলি বেগমের মেয়ে মুসলিমা খাতুনের একটি হাত ভেঙে গেলে তাকে ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।


গত বুধবার (২৫ মার্চ) এ ঘটনা ঘটে এবং ওই দিনই ভাষা সৈনিক প্রয়াত লাইলি বেগমের মেয়ে শাহিন পারভীন নাজমা বাদী হয়ে ঝালকাঠি থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। 

জানা যায়, গত বুধবার সকালে মাঈনুল ও সুজনের নেতৃত্বে ১০-১২ জন পূর্বচাদকাঠি ভাষা সৈনিক লাইলি বেগমের বাড়িতে গিয়ে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে এবং রাত ৮টার মধ্যে টাকা রেডি রাখতে বলে। চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় লাইলি বেগমের বসতঘরের দরজা জানালা ও বাড়ির সামনের স্টল ও দোকান ভাঙচুর করে তারা। এ সময় বাধা দিতে গেলে প্রয়াত লাইলি বেগমের মেয়ে মুসলিমা খাতুনকে পিটিয়ে একটি হাত ভেঙে ফেলে ছাত্রলীগের মাঈনুলরা। পরে লাইলি বেগমের পরিবারদের ডাক চিৎকারে স্থানীয় লোকজন ছুটে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। 

এরপর সামাজিকভাবে সদ্য প্রয়াত লাইলি বেগমের পরিবারদের জব্দ করতে সদর হামলাকারী উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্নসম্পাদক মো. মাঈনুল ইসলাম ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক জিয়াউল করিম জয় (ওরফে) সুজন পৌরসভার বেসিন ভাঙার মিথ্যা অপবাদ ছড়ান। 

এ ব্যাপারে ঝালকাঠি থানার অফিসার ইনচার্জ মো. খলিলুর রহমান বলেন, শাহীন পারভীন নাজমার একটি চাঁদা দাবি, ভাঙচুর ও স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নেয়ার একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি প্রাথমিক তদন্তের জন্য এসআই গোলাম হাফেজকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। সত্যতা পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।