ফুুলবাড়ীতে করোনা প্রভাবে কর্মহীন শ্রমজীবি মানুষের ভোগান্তি

দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে সরকারি নির্দেশনায় করোনাভাইরাস বিস্তার রোধে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে পৌর শহর ও গ্রামঞ্চলের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। শুধুমাত্র কাঁচাবাজার, ঔষধের দোকান ও নিত্যপণ্যের দোকান খোলা রাখার অনুমতি দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। কিন্তু এসব দোকানও সন্ধ্যা ৭টার পর বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। আবার গণপরিবহন বন্ধ থাকায় জনশূন্য হয়ে পড়েছে রাস্তা-ঘাট। শহর ও গ্রামের রাস্তায় দু’একটি করে রিক্সা, অটোরিক্সা দেখা গেলেও ভাড়া পাচ্ছেন না চালকরা। এ অবস্থায় বিপাকে পড়েছেন শ্রমজীবি নিম্ন আয়ের মানুষ। 

জানা যায়, জেলা-উপজেলায় গণ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ ও মাইকিং করে দোকানপাট, যান চলাচল বন্ধ রাখাসহ সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার নির্দেশনা অব্যাহত রেখেছে স্থানীয় প্রশাসন। আর এ নির্দেশনা কার্যকর করতে সেনাবাহিনীর পাশাপাশি কাজ করছে পুলিশ বাহিনী। তবে নিম্ন আয়ের মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়লেও থেমে নেই বড় বড় কল-কারখানা। 


ফুলবাড়ী শহরের একাধিক রিক্সাচালক জানান, একদিন রিক্সা নিয়ে বের না হলে খাবার জোটে না। তাই রিক্সা নিয়ে সকাল থেকে শহরে ঘুরছি। শহরে রাস্তায় লোকজন নেই তাই ভাড়া মিলছেনা। তিনি বলেন, আয় রোজগার করতে না পারলে পরিবারে খাবার জুটবে না। 

এ অবস্থায় উপজেলা প্রশাসন এর পক্ষ থেকে সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুস সালাম চৌধুরী।  

এদিকে করোনা সতর্কতায় যানবাহনসহ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় এ উপজেলায় কর্মহীন হয়ে পড়া রিক্সাচালক, ভ্যানচালক, দিনমজুর ও ড্রাইভারসহ বিপুল সংখ্যক শ্রমজীবি মানুষের অবস্থা খুবই নাজুক। এই অসহায় মানুষগুলো সরকার এবং সমাজের বিত্তবানদের কাছে কি ধরণের সহযোগিতা পাবে তা এখনও নিশ্চিত নয়। ফলে এক প্রকার অনিশ্চয়তায় দিন কাটাচ্ছে এই নিম্ন আয়ের মানুষগুলো।