যশোরে হঠাৎ মাথা ন্যাড়া করার হিড়িক

রীতিমতো মাথা ন্যাড়া করার হিড়িক পড়ে গেছে যশোরে। করোনাভাইরাস নিয়ে আতঙ্কের মধ্যে এমন দৃশ্যে মানুষের মধ্যে কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে।

জানাগেছে, করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে এখন সবাইকে গৃহবন্দী থাকতে হচ্ছে। কত দিন পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে, তাঁরা স্বাভাবিক কর্মজীবনে ফিরবেন, তার নিশ্চয়তা নেই। এই সুযোগে মাথা ন্যাড়া করে নিচ্ছেন।

মাথা ন্যাড়া করলে চুল পড়া কমে যায়, এমন কথা প্রচলিত আছে। কিন্তু মাথা ন্যাড়া করলে অনেকে বিরূপ মন্তব্য করেন; অনেকে আবার মশকরা করতে ন্যাড়া মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে বিরক্ত করে বসেন। এসব কারণে অনেকে চাইলেও ন্যাড়া করতে পারেন না।

মাথা ন্যাড়া করা একজন বলেন, বাইরে বের না হওয়ায় সামনা-সামনি কোনো বিরূপ মন্তব্য শোনার বা কারও মাধ্যমে বিরক্ত হওয়ার আশঙ্কা নেই। তা ছাড়া সরকারি নির্দেশনায় এখন অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের মতো সেলুনগুলোও বন্ধ। দীর্ঘদিন সেলুনে যেতে না পারায় মাথায় চুল বেড়ে যাচ্ছে। গরমের এই সময়ে মাথা চুলকাচ্ছে। তাই বাড়িতে বসেই মাথা ন্যাড়া করে ফেললাম।

যশোর শিক্ষা বোর্ড স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক মাহবুব উল্লাহও মাথা ন্যাড়া করেছেন। তিনি কর্মস্থল বন্ধ থাকায় এই কটা দিন যশোর শহরের খোলাডাঙ্গা এলাকার বাড়িতেই আবদ্ধ। তিনি বলেন, ‘চুল বেড়ে যাওয়ায় গরমে ঘেমে মাথা চুলকাচ্ছিল। এদিকে সেলুন সব বন্ধ। চুল ছাঁটিয়ে নেওয়ার উপায় নেই। বাড়িতে গিয়ে ছোট ভাইকে বললাম, ব্লেড ধর। মাথা ন্যাড়া করে দে।’