মুরাদনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীর অপেক্ষায় ডাক্তার

দেশের এই সংকটময় পরিস্থিতিতে কোথাও কোথাও রোগী আছে কিন্তু ডাক্তার নেই এমন কথা শোনা গেলেও মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিত্র একটু ভিন্ন। এখানে ডাক্তার আছেন, রোগী কম।

সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভিতর জরুরী বিভাগে গোটা কয়েক রোগী সেবা নিচ্ছেন। ভর্তিকৃত রোগীর সংখ্যা ১০/১২ জন হবেন। ডাক্তাররা জরুরি চিকিৎসক রুমে দুজন বসে আছেন। কয়েকজন মিটিং করছেন টিএইচ এর রুমে। বাইরে একজন বৃদ্ধ মহিলাকে স্ট্রেচারে বসিয়ে দুজন দাঁড়িয়ে আছেন। তাদের কাছে জানতে চাওয়া হলো, ডাক্তার পেয়েছেন কি? তারা বললো, জি ডাক্তার পেয়েছি। পরিপাটি সাজানো গোছানো এই হাসপাতলটিতে রোগীর চিৎকার চেঁচামেচি নেই তেমন, নিরব পরিবেশ।

জানা যায়, বর্তমান টিএইচএ ডাঃ মোহাম্মদ নাজমুল আলম সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত অফিস করেন। তিনি হটলাইন নিয়ে বসে থাকেন কখন কোথায় থেকে রোগীর ফোন আসে। যখনই সিরিয়াস কোন তথ্য পান তিনি নিজেই চলে যান রোগী দেখতে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা বলেন, আমার হাসপাতালে এই মুহূর্তে ২২ জন চিকিৎসক রয়েছেন। তারা সকলে সার্বক্ষণিক রোগীর সেবায় প্রস্তুত। এছাড়াও দেশের এই করোনা পরিস্থিতিতে আমার চিকিৎসকরা মুরাদনগরে প্রচুর পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রোগীর বাড়ি বাড়ি গিয়ে তাদের করোনা লক্ষণ আছে কিনা তা দেখছেন। সর্দি-কাশি জনিত রোগীদের হোমকোয়ারেন্টাইনে থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নিতে পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া যাদের সমস্যা জটিল মনে হচ্ছে তাদের নমুনা সংগ্রহ করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, সোমবার (৬এপ্রিল) আমরা একজন ১০ বছরের একটি বাচ্চা ছেলে ও ৪০ বছরের একজন মহিলার নমুনা পরীক্ষা করে নিয়ে আসছি। তাদের রিপোর্ট ভালো।