করোনা: কক্সবাজারের ৮ উপজেলায় আইসোলেশন ইউনিট প্রস্তুত

কক্সবাজার জেলার আট উপজেলায় করোনা প্রতিরোধে পর্যাপ্ত সুযোগ সুবিধা ও শয্যাবিশিষ্ট ২২৭টি আইসোলেশন ইউনিট প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

বুধবার (৮ এপ্রিল) জেলা সিভিল সার্জন এ তথ্য জানিয়েছেন।

জানা যায়, জেলার আইসোলেশন ইউনিটগুলোর মধ্যে রয়েছে, রামু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে (নতুন ভবন) ৫০ শয্যা, চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে (নতুন ভবন) ৫০ শয্যা, উখিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৩০ শয্যা, টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৩০ শয্যা, পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২০ শয্যা, কুতুবদিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২৭ শয্যা ও মহেশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২০ শয্যা।

আরও জানা যায়, হাসপাতালের ২২৭ আইসোলেশন ইউনিটে প্রয়োজনীয় সংখ্যক চিকিৎসক, নার্স, চিকিৎসা সামগ্রী, মাস্ক ও ব্যক্তিগত সুরক্ষা সামগ্রী (পিপিই) মজুদ রাখা হয়েছে। 

এছাড়াও বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত মায়ানমার জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা প্রদানে নিয়োজিত আন্তর্জাতিক সংস্থার ৮টি স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্রের সমন্বয়ে ৬৬ শয্যাবিশিষ্ট আইসোলেশন ইউনিট, বেড ও ওয়ার্ড প্রস্তুুত করা হয়েছে।

কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার (আরএমও) ও জরুরি বিভাগের প্রধান ডা. মোহাম্মদ শাহীন আবদুর রহমান চৌধুরী জানান, হাসপাতাল সংলগ্ন পুরাতন মেডিক্যাল কলেজ ক্যাম্পাসের চতুর্থ তলায় আইসোলেশন ইউনিট স্থাপন করা হয়েছে। তিন শিফটে আইসোলেশন ইউনিটের প্রতি শিফটে ১ জন ডাক্তার, ৪ জন নার্স ও ১ জন করে ক্লিনার, নিরাপত্তাকর্মী, ওয়ার্ডবয় রয়েছে।

সূত্র মতে, ৭ এপ্রিল পর্যন্ত কক্সবাজার জেলায় মোট ৫১৭ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে এবং ২৩ জনকে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। এছাড়া জেলার ২৯টি বেসরকারি হাসপাতালে করোনা চিকিৎসার জন্য ১০৬টি বেড প্রস্তুুত রাখা হয়েছে এবং কর্মরত আছেন ১০৭ ডাক্তার ও ৮০ জন নার্স।

এছাড়াও জেলা প্রশাসন জানায়, কেভিড-১৯ আক্রান্ত ব্যক্তির জরুরি চিকিৎসা ও স্থানান্তরের জন্য আইসোলেশন ইউনিটে ১১টি পৃথক এ্যাম্বুলেন্স প্রস্তুুত রাখা হয়েছে ।