হাতিয়ার করোনা আক্রান্ত সেই ডাক্তার সুস্থ হয়ে উঠছেন

নোয়াখালীর বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজেলা হাতিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এক তরুণ চিকিৎসক করোনা আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিয়ে এখন সুস্থ হয়ে উঠছেন। তার শারীরিক অবস্থা এখন অনেকটা ভালো। আইইডিসিআর এর ডাক্তারদের নিয়মিত তত্ত্বাবধায়ন ও পরামর্শে ওই চিকিৎসক করোনা থেকে মুক্তির দিকে রয়েছেন।

শুক্রবার (১০ এপ্রিল) দুপুরে হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নাজিম উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করে এ তথ্য জানান।

জানা যায়, ওই চিকিৎসক হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত ছিলেন। মার্চের প্রথম সপ্তাহের দিকে ছুটিতে থাকাকালীন তার পা ভেঙে যায়। এরপর পা প্লাষ্টার করে সে তার ঢাকার বাসায় বিশ্রামে ছিল। দেশে হঠাৎ করে করোনার সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় তাকে ডিউটিতে আসতে বলা হয়। তিনি নির্দেশ মোতাবেক ঢাকা থেকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চলে আসেন। কিন্তু তার পায়ের অবস্থা ভালো না থাকায় তিনি ডিউটি না করে ডরমেটরিতে অবস্থান করেন। এরিমধ্যে তার পায়ের অবস্থার আরও অবনতি হয়। 

পরে দেশে সরকার ঘোষিত ছুটি শুরু হওয়ায় ডরমেটরিতে খাদ্য সংকট দেখা দেয়ায় ৩১ মার্চ তাকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সহযোগীতায় ঢাকার বাসায় পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়।

ঢাকায় আসার পর হঠাৎ চিকিৎসক জ্বর, গলা ব্যাথা, সর্দি ও কাশিতে আক্রান্ত হয়। পরে তিনি করোনা সন্দেহে আইইডিসিআরে যোগাযোগ করে তার পরীক্ষার জন্য নমুনা পাঠায়। নমুনা পরীক্ষার রিপোর্টে তার করোনা পজেটিভ ধরা পরে। 

পরে আইইডিসিআরের ডাক্তারদের পরামর্শক্রমে ওই চিকিৎসক কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন। বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা অনেকটা ভালো। শরীরে জ্বর, গলা ব্যাথা, সর্দি ও কাশি অনেকটাই সেরে গেছে।