কুষ্টিয়ায় বৃষ্টির জন্য মাঠে নামাজ

কুষ্টিয়ায় বৃষ্টির জন্য মাঠে নামাজ পড়ে মোনাজাত করলেন স্থানীয় মুসলিমরা। এ ঘটেছে কুমারখালী উপজেলার চর জগ্ননাথপুর গ্রামের ফসলি মাঠে। যেখানে শত শত  সাধারণ মানুষ অংশগ্রহণ করে।  

চৈত্রের তাপদাহ শেষে বৈশাখের আগমন। মানুষের মনে একটু আশা বৈশাখে ঝড়বৃষ্টি  হবে মাটঘাট খালবিল পানিতে ভরে উঠবে। প্রকৃতি সাজবে নতুন সাজে। আজ বৈশাখের ৬ দিন পেরিয়ে গেলেও কুষ্টিয়ার আকাশে নেই মেঘ, নেই বৃষ্টি। বৈশাখেও চৈত্রের কঠোর তাপদাহে জনজীবন বিপর্যস্ত।

বৃষ্টির অভাবে পানির লেয়ার নিচে নেমে গিয়ে জেলা জুড়ে দেখা দিয়েছে তীব্র পানি সংকট। পানির অভাবে সেচ কাজ ব্যাহত হচ্ছে। এবার অনেক সফলের উৎপাদনে বাধা সৃষ্টি হতে পারে পানির অভাব। সোমবার (১৯ এপ্রিল) সকালে একটু বৃষ্টির জন্য মহান আল্লাহর দরবারে কুষ্টিয়া কুমারখালী উপজেলার চর জগ্ননাথপুর গ্রামের ফসলি মাঠে কয়েক’শত মানুষ একত্রিত হয়ে বিশেষ নামাজ (ইসতিসকা) আদায় করে অব্যাহত অনাবৃষ্টি থেকে মুক্তির জন্য বিশেষ মোনাত করেন।

বিশেষ এ নামাজে কয়েক গ্রামের কয়েক’শত কৃষক ও সাধারণ মানুষ অংশগ্রহণ করেন। নামাজ ও মোনাজাত পরিচালনা করেন চর জগ্ননাথপুর গ্রাম জাসে মসজিদের ইমাম আলহাজ্ব মওলানা ইদ্রিস আলী।

 এ বিষয়ে কথা হলে আলহাজ্ব মওলানা ইদ্রিস আলী  জানান, দীর্ঘদিন বৃষ্টি না হওয়াতে মানুষ পানির জন্য খুব বিপদে আছে। তাপদাহে দেশের মানুষ সমস্যা ও দুঃখ কষ্ট হতে থাকলে বৃষ্টি বা পানির জন্য আল্লাহ তার কাছে সালাতের মাধ্যমে চাইতে বলেছেন। আল্লাহর কাছে চাওয়া সুন্নাত।  আর চাওয়াকে আরবিতে ‘ইসতিসকা’ বলা হয় অর্থাৎ পানির জন্য দোয়া করা।

এ বিষয়ে জগন্নাথপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ফারুক খান বলেন, তিনি এই নামাজের কথা জানেন না।