বগুড়ায় অপহরণের পর শিশু হত্যা, ঘাতক গ্রেপ্তার

বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে মুক্তিপণের দাবিতে অপহরণের পর হত্যা করা হয় শিশু রাজ মামুনকে। ঘাতক ফরিদুলকে তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে ঢাকার থেকে গ্রেফতারের পর উদ্ধার করা হয় রাজ মামুনের লাশ। 


বুধবার বগুড়ার পুলিশ সুপার কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী বিপিএম (সেবা)।


পুলিশ সুপার জানায়, গত ৭ডিসেম্বর সারিয়াকান্দি উপজেলার বেড়া পাচবাড়িয়া গ্রামের সুলতান শেখ থানায় অভিযোগ করেন যে, তার ছেলে রাজ মামুন গত ৫ ডিসেম্বর মাগরিবের নামায আদায়ের জন্য বাড়ির পাশের জামে মসজিদে যায়। মাগরিব নামায শেষে বাড়িতে না ফিরে উক্ত মসজিদেই এশার নামায শেষে বাড়ি ফেরার পথে রাত রাত ৮টায় জামথল রাজার মোড়ে পাঁকা রাস্তা থেকে অজ্ঞাতনামা আসামিরা ব্যাটারী চালিত অটোরিকশাযোগে অপহরণ করে। অজ্ঞাত স্থানে আটকে রেখে অপরিচিত মোবাইল নং থেকে ফোন করে অপহরণের বিষয়টি জানায়। ছেলেকে মুক্তির জন্য বিকাশের মাধ্যমে ২০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করে অপহরণকারীরা। 


উক্ত ঘটনায় সারিয়াকান্দি থানায় মামলা দায়ের করা হয়। মামলার সূত্র ধরে সারিয়াকান্দি থানা পুলিশ ও ডিবি পুলিশের টিম অভিযানে নামে। তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় মঙ্গলবার রাতে বগুড়া জেলা পুলিশ গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাইহান ওলিউল্লাহ ও সারিয়াকান্দি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিজানুর রহমান এর যৌথ নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম ঢাকার সাভার উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে অপহরণের পর মুক্তিপণ দাবিকারী ফরিদুলকে গ্রেপ্তার করে বগুড়ায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে। জিজ্ঞাসাবাদ দেওয়া তথ্যমতে তার মঙ্গলবার দিবাগত রাত ২টায় সারিয়াকান্দির বেড়া পাঁচবাড়িয়া গ্রামের চর এলাকায় ধান ক্ষেত থেকে রাজ মামুনের লাশ উদ্ধার করা হয়।