প্রার্থিতা ফিরে পেলেন হিরো আলম

হাইকোর্টের রায়ে প্রার্থিতা ফিরে পেলেন বগুড়া- ৪ ও বগুড়া- ৬ আসনে উপ-নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চাওয়া স্বতন্ত্র প্রার্থী আশরাফুল হোসেন আলম (হিরো আলম)।


মঙ্গলবার (১৭ জানুয়ারি) বিচারপতি মো. খসরুজ্জামান ও বিচারপতি মো. ইকবাল কবিরের দ্বৈত বেঞ্চে হিরো আলমের রিটের শুনানি শেষে তার মনোনয়নপত্র গ্রহণ এবং ১ ফেব্রুয়ারির উপনির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ব্যবস্থা নেয়ার জন্য ইসিকে নির্দেশ দিয়েছেন।


প্রার্থিতা ফিরে পাবার পর তাৎক্ষণিক সংবাদ সম্মেলনে হিরো আলম বলেন, ১ শতাংশ ভোটার তালিকা জমা দেয়ার বাধ্যবাধকতা তুলে নেয়ার জন্য হাইকোর্টে রিট করবেন। দলীয় প্রার্থীর নিয়ম আর স্বতন্ত্র প্রার্থীর জন্য নিয়ম আরেক রকম।


তিনি বলেন, তার সহজ সরল মনোভাব আর সততার জন্য মানুষ তাকে পছন্দ করে। সততার জন্য ভোটের মাঠে সবাই ভোট দেবে ও সমর্থন করবে।


এ রায়ের ফলে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার ক্ষেত্রে হিরো আলমের আর কোনো বাধা রইল না। আদালত সংশ্লিষ্ট নির্বাচন অফিসকে প্রতীক বরাদ্দের নির্দেশনা দিয়েছে বলে জানান হিরো আলমের পক্ষে শুনানিতে অংশ নেয়া আইনজীবী কাজী রেজাউল হোসেন এবং ইয়ারুল ইসলাম।


উল্লেখ্য, শূন্যঘোষিত এই দুই আসনে সোমবার প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়।


উপ-নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চাওয়া স্বতন্ত্র প্রার্থী হিরো আলম তার মনোনয়নপত্র বাতিল আদেশের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনেও (ইসি) গত ১০ জানুয়ারি আপিল আবেদন করেন। কমিশন আপিল আবেদনে সাড়া না দিলে হাইকোর্টের শরণাপন্ন হয়েছিলেন হিরো আলম।


আশরাফুল ইসলাম আলম ওরফে হিরো আলমের ১ শতাংশ ভোটার তালিকায় গড়মিল পাওয়া যায়নি বলে বাতিল ঘোষণা করা হয়েছিল ।


এর আগে, গত ১০ ডিসেম্বর ঢাকায় গণসমাবেশ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দেন বিএনপির সাত সংসদ সদস্য। পরদিন ১১ ডিসেম্বর স্পিকারের কাছে সশরীরে পদত্যাগপত্র জমা দেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনের মো. আমিনুল ইসলাম, বগুড়া-৪ আসনের মো. মোশাররফ হোসেন, বগুড়া–৬ আসনের গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ, ঠাকুরগাঁও-৩ আসনের জাহিদুর রহমান এবং সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা।


প্রসঙ্গত, জাতীয় সংসদ থেকে পদত্যাগ করা বিএনপির ছয় সংসদ সদস্যের শূন্যঘোষিত আসনে উপনির্বাচনের শূন্য আসনে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন ছিল ৫ জানুয়ারি। যাচাই-বাছাই হয় ৮ জানুয়ারি এবং প্রত্যাহারের শেষ দিন ছিল ১৫ জানুয়ারি।


আগামী ১ ফেব্রুয়ারি সবকটি আসনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোটগ্রহণ করা হবে।