চুক্তির সাংঘর্ষিক ধারা বাতিলের দাবিতে বান্দরবানে মানববন্ধন

পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান কাজী মো. মজিবর রহমান বলেছেন- শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দূর্বারগতিতে এগিয়ে যাচ্ছে দেশ। কিন্তু পার্বত্য এলাকাকে পিছিয়ে দেয়ার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে একটি মহল। সরকার ১৯৯৭সালে পার্বত্যচুক্তি করলেও সন্তু লারমা পাহাড়ে দিন দিন অশান্তি তৈরী করে যাচ্ছে। তার সন্ত্রাসী বাহিনীর গুলি থেকে রেহাই পাচ্ছে না নিরাপত্তাবাহিনীসহ সাধারণ মানুষ।


মঙ্গলবার সকালে বান্দরবান প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধনে এই কথা বলেন তিনি। পরে বান্দরবানে সফররত জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যানের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।


মানববন্ধনে কাজী মজিব বলেন- চুক্তির অসাংবিধানিক ও বৈষম্য মূলক ধারা বাতিল, সংশোধন ও পরিবর্তন, শাসনবিধি ১৯০০ সালের আইন বাতিল ও অন্য ৬১ জেলার ন্যায় প্রচলিত আইন চালু করা। পাহাড়ে চলমান ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য তিন জেলা থেকে ভূমি কমিশনে অন্তত ৬জন বাঙ্গালী সদস্য নিয়োগ ও সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি উচ্চ আদালতে ভূমি কমিশনের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের সুযোগ রাখাসহ প্রত্যাহারকৃত সেনাক্যাম্প পুন স্থাপন এবং র‌্যাব-পুলিশ বিজিবির কার্যক্রম জোরদার করাসহ বিভিন্ন দাবী দাওয়া তুলে ধরেন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন- তিন পার্বত্য জেলা বাংলাদেশের অবিচ্ছেদ্য অংশ। কিন্তু উদ্বেগের বিষয় স্বাধীনতার পরও পার্বত্য এলাকায় উপজাতিয় একটি বিশেষ মহল পাহাড় নিয়ে গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। সংবিধান ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে সশস্ত্র বিচ্ছিন্নতাবাদী সন্ত্রাসী গোষ্টী তৈরী করে সূদূর প্রসারী চক্রান্ত ও জুম্মল্যান্ড প্রতিষ্ঠায় ষড়যন্ত্র করছে।


এসময় উপস্থিত ছিলেন- পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদের সহসভাপতি আব্দুস শুক্কুর, মাও.আবুল কালাম, আব্দুল আলীম মনু, জেলা সেক্রেটারি মো. নাছির উদ্দীন, পৌর সভাপতি সামছুল হক শামু, নুরুল আবছার, মনিরুল ইসলাম, শাহ জালাল, কামাল হোসেন, সাইফুল আলম, রাহিমা বেগম, রেহেনা আক্তারসহ তৃণমূলের নেতাকর্মীরা।