আউট হয়ে আম্পায়ারকে গালি, ফাইনালে নিষিদ্ধ হচ্ছেন রয়!

চলতি আইসিসি বিশ্বকাপের শুরু থেকেই নিম্নমানের আম্পায়ারিং নিয়ে সমালোচনা চলছে বিস্তর। একাধিক ম্যাচে আম্পায়ারদের ভুল সিদ্ধান্তের শিকার হতে হয়েছে ক্রিকেটারদের। বিতর্ক পিছু ছাড়েনি সেমিফাইনালেও।  অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় সেমিফাইনালে ইংল্যান্ড ওপেনার জেসন রয়ের আউট নিয়ে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।

বাস্তবিকই আম্পায়ার কুমার ধর্মসেনার ভুল সিদ্ধান্তের শিকার হয়ে সাজঘরে ফিরতে হয় জেসন রয়কে।

অস্ট্রেলিয়ার ২২৩ রানের জবাবে ইংল্যান্ড ব্যাট করতে নামলে ইনিংসের ২০তম ওভারের চতুর্থ বলে আউট হন জেসন রয়। প্যাট কামিন্সের শর্ট পিচড ডেলিভারি পুল করে বাউন্ডারির বাইরে পাঠানোর চেষ্টা করেন রয়। বল তাঁর ব্যাটের কানা এড়িয়ে উইকেটকিপার অ্যালেক্স ক্যারির দস্তানায় গিয়ে জমা পড়ে। স্বভাবসুলভ চপলতায় অজিরা আবেদন করতে বিশেষ সময় নষ্ট করেনি। একটু ইতস্তত করে আম্পায়ার ধর্মসেনা আঙুল তুলে বসেন। অর্থাৎ জেসন রয়কে আউট ঘোষণা করেন তিনি।

টেলিভিশন রিপ্লেতে দেখা যায় বল জেসন রয়ের ব্যাটে লাগেনি। আল্ট্রা এজ প্রযুক্তিতেও তা প্রমাণিত হয়। তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় জেসন রয়কে কার্যত ক্ষুব্ধ দেখায়। তিনি ক্রিজ ছেড়ে যেতে অস্বীকার করেন এবং রিভিউয়ের আবেদন জানান। যদিও ইংল্যান্ড আগেই নিজেদের রিভিউ খুইয়ে বসেছিল। তাই এ যাত্রায় জেসন রয়ের মাঠ ছেড়ে যাওয়া ছাড়া উপায় ছিল না। বাধ্য হয়ে ক্রিজ ছাড়েন বটে, তবে যাবার বেলায় আম্পায়ারের উদ্দেশ্যে কটুক্তি করে বসেন ব্রিটিশ ওপেনার যা ক্যামেরায় স্পষ্ট ধরা পড়ে। হতাশা থেকেই মাঠে অশ্রাব্য ভাষা ব্যবহার করেন রয়। তবে তাঁর এহেন আচরণ নিশ্চিতভাবেই আইসিসির আচরণবিধি বিরোধী। ম্যাচ রেফারির তরফে রয়ের এখনও কোনও শাস্তিবিধান না করা হলেও বিশেষজ্ঞমহলের ধারণা, এমন আচরণের জন্য ফাইনাল ম্যাচ থেকে নির্বাসিত হতে পারেন ইংল্যান্ড ওপেনার। অন্ততপক্ষে তাঁর নিশ্চিত জরিমানা হতে চলেছে বলেই মনে করছেন পণ্ডিতরা।