আবাসিক হোটেল থেকে আপত্তিকর অবস্থায় আটক হন এই অভিনেত্রী

ভারতের জনপ্রিয় অভিনেত্রী শ্বেতা বসু প্রসাদ। কাজ করেছেন একাধারে বলিউড, মালায়ালা, টালিউড ও তেলেগু ইন্ড্রাস্টিতে। তবে একসময় অভাবের টানে নেমেছিলেন যৌন ব্যবসায়। হাতেনাতে আটক হয়েছিলেন একটি আবাসিক হোটেল থেকে।

২০১৪-এর সেপ্টেম্বরের গোড়ায় হায়দরাবাদের একটি হোটেল থেকে যৌন ব্যবসায় জড়িত থাকার অভিযোগে শ্বেতাকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ। সে সময় সংবাদমাধ্যমে হায়দরাবাদ পুলিশের তরফেই শ্বেতার একটি বিবৃতি পাওয়া গিয়েছিল।

সেই বিবৃতিতে বলা হয়েছিল যে, অভাবে পড়েই যৌনপেশায় জড়িয়ে যেতে হয়েছে তাঁকে। পরবর্তীকালে হায়দরাবাদের আদালত শ্বেতাকে ক্লিন চিট দেওয়ার পরক্ষণেই সংবাদমাধ্যমকে খোলা চিঠি লিখেছিলেন শ্বেতা বসু প্রসাদ।

চিঠিতে তিনি দাবি করেছিলেন, যে ধরা পড়ার পরে তাঁর যে ‘স্বীকারোক্তি’র কথা সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছিল, তার আদ্যোপান্ত ভুয়া।

শৈশবেই বিনোদন জগতে শুরু হয়েছে শ্বেতার ক্যারিয়ার। প্রথমে টেলিভিশনে কাজ। অল্প ক’দিনের মধ্যেই সুযোগ বড় পর্দায়। ২০০২ সালে বিশাল ভরদ্বাজের পরিচালনায় ‘মাকড়ি’ ছবিতে চুন্নি ও মুন্নি, দুই বোনের চরিত্রে অভিনয় করেন শিশুশিল্পী শ্বেতা।

প্রথম ছবিতেই সেরা শিশুশিল্পী হিসেবে জাতীয় পুরস্কার। ২০০৫ সালে আবার বাজিমাত নাগেশ কুকুনুরের ‘ইকবাল’ ছবিতে। পাশাপাশি অভিনয় করেন ছোটপর্দায় ‘কহানি ঘর ঘর কি’ এবং ‘করিশ্মা কা করিশ্মা’-র মতো জনপ্রিয় সিরিয়ালে।

ছোট থেকেই শ্বেতা ভারতীয় ধ্রুপদী সঙ্গীতে আগ্রহী। নিজে একজন দক্ষ সেতারবাদক। ২০১২ থেকে ২০১৬ টানা চার বছর তথ্যচিত্র তৈরি করেছেন ধ্রুপদী সঙ্গীতশিল্পীদের জীবনের উপরে। কাজ করেছেন স্ত্রিপ্ট কনসালট্যান্ট হিসেবেও।

ব্যক্তিগত জীবনের পাশাপাশি শ্বেতা নতুন ছন্দে ফিরে এসেছেন ইন্ডাস্ট্রিতেও। অভিনয় করেছেন ‘বদ্রীনাথ কি দুলহনিয়া’-র মতো বক্সঅফিস সফল ছবিতে। তাঁকে শেষবার বড়পর্দায় দেখা গিয়েছে ২০১৯-এর ১২ এপ্রিল মুক্তপ্রাপ্ত ‘দ্য তাসখন্দ ফাইলস’ ছবিতে।