প্রতারণা মামলা থেকে তাহসান-মিথিলা-ফারিয়াকে অব্যাহতি

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির হয়ে প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে করা মামলা থেকে গায়ক তাহসান খান, অভিনেত্রী রাফিয়াত রশিদ মিথিলা ও শবনম ফারিয়াকে অব্যাহতি দিয়েছেন আদালত।


রবিবার (২৭ মার্চ) ঢাকার অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসিবুল হক মামলার অভিযোগপত্র গ্রহণ করে তাদেরকে অব্যাহতি দেন।


এর আগে বুধবার (২ মার্চ) তাদেরকে অব্যাহতি দেয়ার আবেদন করে ধানমন্ডি থানা পুলিশ। এ মামলায় ইভ্যালির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. রাসেল, তাঁর স্ত্রী শামীমা নাসরিনসহ চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ।


ওই মামলার তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে জমা দিয়ে ধানমন্ডি থানা পুলিশ বলেছে, তাহসান খান ইভ্যালির গুডনেস অফিসার ছিলেন। তিনি প্রতিষ্ঠানটির হয়ে ক্রয়াদেশ গ্রহণ কিংবা পণ্য সরবরাহের দায়িত্বে ছিলেন না। তিনি ইভ্যালি থেকে স্বেচ্ছায় অব্যাহতির আবেদনও করেছিলেন। এ ঘটনার সঙ্গে তিনি জড়িত নন। অন্যদিকে রাফিয়াত রশিদ মিথিলা ও শবনম ফারিয়া এ ঘটনার সময় ইভ্যালিতে কর্মরত ছিলেন না। তাই মামলা থেকে তাঁদের অব্যাহতির আবেদন করা হয়েছে।


এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের অপরাধ ও তথ্য বিভাগের এসআই মোহাম্মদ এশারত আলী জানান, এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত মো. রাসেল, তাঁর স্ত্রী শামীমা, ইভ্যালির ভাইস প্রেসিডেন্ট আবদুল্লাহ আল মামুন এবং প্রতিষ্ঠানটির ক্যাটাগরি প্রধান মোহাম্মদ আবু তাহের। তাঁদের মধ্যে রাসেল ও শামীমা গ্রেফতার হয়ে এখন কারাগারে। আবদুল্লাহ ও তাহের পলাতক। তাঁদের দুজনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আবেদন করেছে পুলিশ।


মামলার নথিপত্রে বলা হয়েছে, ইভ্যালিতে ৩ লাখ ১৮ হাজার টাকায় মোটরসাইকেল কেনার জন্য ক্রয়াদেশ দিয়েছিলেন সাদ শ্যাম রহমান নামের এক গ্রাহক। টাকা নিলেও ওই গ্রাহককে মোটরসাইকেল বুঝিয়ে দেয়া হয়নি। তাই সাদ শ্যাম রহমান বাদী হয়ে গত বছরের ৪ ডিসেম্বর মো. রাসেল, তাহসান, মিথিলা, ফারিয়াসহ আটজনের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগে মামলা করেন।