১৯ গোলের অবিশ্বাস্য এক ম্যাচ

নির্ধারিত সময়ে ১০ গোলের (৫-৫) থ্রিলারের নিষ্পত্তি ঘটল টাইব্রেকারে। আর পেনাল্টি শুট আউটে আর্সেনালকে ৫-৪ গোলে হারিয়ে লিগ কাপের কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে গেল লিভারপুল।

ঘরের মাঠ অ্যানফিল্ডে এদিন ম্যাচের ৬ মিনিটে মুস্তাফির আত্মঘাতী গোলে এগিয়ে যায় লিভারপুল। ১৯ মিনিটে বুকে সাকার শট লিভারপুল গোলরক্ষক প্রতিহত করলে ফিরতি বল জালে রেখে ম্যাচে লিভারপুলকে সমতায় ফেরান লুকাস টোরেইরা। কিন্তু ২৬ এবং ৩৬ মিনিটে জোড়া গোল করে ম্যাচে গানার্সদের অনেকটাই এগিয়ে দেন গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেই। দু’গোলে পিছিয়ে পড়া ম্যাচে বিরতির ঠিক দু’মিনিট আগে অক্সিজেন পায় লিভারপুল। বল ধরে বক্সে আগুয়ান ইলিয়টকে এক আর্সেনাল ডিফেন্ডার অবৈধ উপায়ে বাধা দেওয়ায় পেনাল্টি পায় ‘দ্য রেডস’। স্পটকিক থেকে মিলনারের গোল ম্যাচে ফেরায় তাঁদের।

মেইটল্যান্ড নাইলসের গোল আর্সেনালের হয়ে ব্যবধান ৪-২ করে ৫৪ মিনিটে। টেনিসের মতো বদল হতে থাকা স্কোরলাইনে ফের পটপরিবর্তন মিনিট দশেকের মধ্যে। ৫৮ মিনিট ও ৬২ মিনিটে টানা দু’টি গোল করে লিভারপুলকে দারুণভাবে ম্যাচে ফেরান অক্সলেড চেম্বারলেন ও ডিভোক ওরিগি। অ্যানফিল্ডে তখন গোলের বন্যা। যারমধ্যে আর্সেনালের প্রাক্তনী চেম্বারলেনের দুরপাল্লার শটে গোলটি ছিল চোখধাঁধানো। যদিও ৭০ মিনিটে আর্সেনাল পঞ্চম গোলটি তুলে নেওয়ায় ফের পিছিয়ে পড়তে হয় লিভারপুলকে। কিন্তু ঘরের মাঠে হাল ছাড়ার পাত্র ছিল না সাতবারের লিগ কাপ জয়ীরা।

জো উইলকক ম্যাচে এগিয়ে দেয় গানার্সদের। কিন্তু ৯৪ মিনিটে ডানপ্রান্তিক ক্রস থেকে হাফ টার্নে ম্যাচে দ্বিতীয়বার বল জালে রাখেন ওরিগি এবং সেইসঙ্গে ম্যাচ টাইব্রেকারে নিয়ে যান লিভারপুলের এই বেলজিয়ান স্ট্রাইকার। পেনাল্টিতে দু’দলই প্রথম তিনটি শট জালে রাখলেও আর্সেনালের পরিবর্ত সেবালোসের নেওয়া চতুর্থ শট কেহেলারের দস্তানায় আটকে যেতেই জয়ের গন্ধ পেয়ে যায় লিভারপুল। মাথা ঠান্ডা রেখে শেষ দু’টি শট জালে জড়িয়ে শেষ রেডসদের আট নিশ্চিত করেন ওরিগি ও জোনস।