ভালো ঘুমের জন্য যা করবেন

রাতের ঘুম যদি ঠিকমতো না হয় তা স্বাস্থ্যের পক্ষে অনেক ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। তেমনই ঘুম আপনার জীবন থেকে অনেক রোগের বিদায় জানাবে আপনারই মনের অজান্তে। বিজ্ঞানীদের গবেষণায় সেইরকমই তথ্য উঠে এসেছে।

ভালো ঘুম যেমন আমাদের সারাদিন শরীর ও স্বাস্থ্যকে তরতাজা রাখে, ঠিক তেমনই সুন্দর ঘুম একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের দেহের ওজন ঠিক রাখা থেকে শুরু করে ব্লাডসুগার, কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে।

গবেষণায় উঠে এসেছে সুস্থ-সুন্দর স্বাস্থ্যের পাশাপাশি পর্যাপ্ত ঘুম কর্কট রোগ থেকে মুক্তি দিতে অনেকাংশে সাহায্য করে। আসুন তাহলে এবার দেখে নেওয়া যাক কী কী কারণে ঘুমনো প্রয়োজন আর কী করলে পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুম হবে।

১- ঠিকমত ঘুম হচ্ছেনা। তাহলে অবশ্যই আপনার ডাক্তারের সঙ্গে এই বিষয়ে কথা বলুন। প্রয়োজন পড়লে ডাক্তারের কাছ থেকে ঘুমের ওষুধ লিখে নিন। মনে রাখবেন কখনই প্রেসক্রিপশন ছাড়া নিজে থেকে ঘুমের ওষুধ কিনতে যাবেননা। এতে হিতে বিপরীত হতে পারে।

২- চেষ্টা করবেন প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমাতে যাওয়ার এবং সকালে একই সময়ে ঘুম থেকে ওঠার। সঙ্গে প্রাত ভ্রমণে বেরোতে পারেন বা অল্প সাইক্লিং ও করতে পারেন।

৩- এছাড়াও আপনার প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় ডিম, দুধ, সয়াবিন, যে কোনও ধরনের বাদাম এবং সামুদ্রিক মাছ রাখতে পারেন।

৪- বেশি রাত করে খাবার খাওয়ার অভ্যাস ত্যাগ করুন। বেশি রাতে মুখরোচক জাতীয় খাবার যথাসম্ভব এড়িয়ে চলুন। রাতে এমন কোনও খাবার গ্রহণ করবেন না যেগুলি আপনার শরীর এবং স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকারক এবং রাতের ঘুমে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে।

৫- পরিমিত খাদ্য এবং জল পানের পাশাপাশি প্রতিদিনের লাইফ স্টাইলের তালিকায় শরীরচর্চাকে যুক্ত করুন। তাতে শরীর যেমন ফিট থাকবে আবার রাতে ভালো ঘুমও হবে।

৬- প্রতিদিন চেষ্টা করুন কিছুটা সময়ে রোদে থাকার। সূর্যের আলো যেমন ক্ষতিকারক তেমনই প্রতিদিন হালকা সানবাথ নেওয়াও শরীরের পক্ষে খুব জরুরি। কারণ সূর্যের আলোয় উপস্থিত ভিটামিন-ডি আমাদের হাড়ের জন্য অনেক উপকারী।

৭- ঘুমোতে যাওয়ার আগে ফোন, ল্যাপটপ এবং টিভি দেখা থেকে বিরত থাকুন। না হলে এর প্রভাব রাতে আপনার ঘুমের উপর পড়বে।

৮- ঘুমোতে যাওয়ার আগে এক কাপ গরম দুধ পান করুন। রাতে খুব সুন্দর আরামদায়ক ঘুম হবে।