চুমু নিয়ে অবাক করা ১০ তথ্য জেনে নিন

প্রেমের প্রথম স্পর্শ তো চুমু ৷ কখনও চুমুতে শুরু, কখনও চুমুতেই শেষ। কিন্তু এই চুড়ান্ত রোমান্টিক ‘চুমু’-এর পিছনে আছে অনেক মজার তথ্য।

১) জানেন কি, সাধারণত দুই-তৃতীয়াংশ মানুষ মাথা ডানদিকে হেলিয়ে কিস করেন ৷ বিখ্যাত পেন্টিং,ভাস্কর্য কিংবা সিনেমাতেও আমরা প্রেমিক-প্রেমিকাদেরও এইভাবেই কিস করতে দেখি ৷ বিজ্ঞানীরা বলছেন, গর্ভে থাকার সময় থেকেই আমরা চুমু খাওয়ার এই পদ্ধতি শিখে আসি। কারণ- মায়ের গর্ভে শিশুদের মাথা ডানদিকে হেলানো থাকে।

২) চুমু খাওয়ার সময় মোট ১৪৬ টা মাসল কাজ করে। এর মধ্যে ৩৪টা মুখের মাংসপেশী বাকিটা ভঙ্গিগত।

৪) XOXO টাইপ করলেই স্ক্রিনে ফুটে ওঠে কিসিং স্মাইলি। ইতিহাসবিদরা বলেন মধ্যযুগে নিরক্ষর মানুষেরা প্রেমের বার্তা পাটাতে হলে সিগনেচার হিসেবে X সাইনটি ব্যবহার করে তারপর ডকুমেন্টটিকে কিস করে সীল করতেন।

৫) ১৪৩৯ সালে ১৬ জুলাই ইংল্যান্ডের তৎকালীন রাজা পঞ্চম হেনরি রোগ ছড়িয়ে পড়ার ভয়ে চুমু-কে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিলেন। কথিত আছে,এই ঘোষণার পর তার রাজ্যে অরাজকতা তো দেখা গিয়েছিলই সঙ্গে রাজা নিজেও দীর্ঘকাল এরকম নিষেধাজ্ঞা পালন করে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিলেন।

৬) চুমু-র দেশ বলে স্বীকৃত ফ্রান্সে বিংশ শতাব্দীতে ট্রেনে কিস্ করা নিষিদ্ধ ছিল। কারণ- কিস্ করতে গিয়ে ট্রেন থেকে উঠতে-নামতে যাত্রীরা দেরি করতেন।

৭) ১৯৩০-এ সেন্সর বোর্ডের হেইজ কোড অনুসারে কাপলদের পর্দায় হরাইজন্টাল পজিশনে মানে একে অপরের উপর শুয়ে কিস করায় ছিল নিষেধাজ্ঞা। এমনকী, বিবাহিত স্বামী-স্ত্রীকেও খাটে পাশাপাশি শুয়ে দেখানোর ক্ষেত্রেও অনেক শর্ত ছিল। খাটে চুমুর দৃশ্য দেখাতে হলেও শর্ত ছিল, কাপলদের মধ্যের যে কোনও একজনের পা মাটিতে থাকতে হবে। ওই কোড অনুযায়ী সর্বাধিক দীর্ঘ চুমুর সিন হতে পারে ৩ সেকেণ্ডের, তার বেশি কোনও মতেই না।

৮) একজন সাধারণ মানুষ তার পুরো জীবনের গড়পড়তা ২০,১৬০ মিনিট অর্থাৎ দু’সপ্তাহ সময় চুমুর পিছনে ব্যয় করেন।

৯) চুমু বিজ্ঞানকে বলে Philematology আর যারা Philematology নিয়ে পড়াশুনো করেন তাদের বলে Osculologists। গোদা বাংলায় চুমু বিজ্ঞানী ৷

১০) চুমু বিজ্ঞান বলে মহিলারা নিজের ড্রিম পার্টনার খুঁজে পেতে অন্তত গড়ে ১৫ জন পুরুষকে কিস করেন। কারণ- চুমুতেই লুকিয়ে আছে নারীর হৃদয়ের অন্তিম চাবিকাঠি।