করোনার চাইতেও ভয়ানক চীনে হানা দেওয়া হান্টাভাইরাস

সম্প্রতি টুইটারে চায়না গ্লোবাল টাইমস এর পক্ষ থেকে বিশেষ এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, চীনের এক ব্যক্তির শরীরে পজেটিভ হান্টাভাইরাসের লক্ষণ দেখা গিয়েছে। ইউনান প্রদেশের ওই বাসিন্দা বাসে করে অফিস যাওয়ার পথেই মারা যান।

দ্যা সেন্টার অব ডিজিস কন্ট্রোল এন্ড প্রিভেনশন (CDC) এই বিষয়ে জানিয়েছে, এই ভাইরাস মূলত ইঁদুর বা ওই জাতীয় প্রাণীর থেকে মানব শরীরে ছড়ায়। ঠিক যেমন প্লেগ। কতটা ভয়ঙ্কর হান্টাভাইরাস? জেনে নিন এর উপসর্গগুলি সম্পর্কে…

এই ভাইরাসের মূল লক্ষণগুলি হল অবসাদ, জ্বর, খিঁচুনি। বিশেষ করে থাই আর পিঠের পেশিতে ব্যথা। হন্তাভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তির মধ্যে মাথা ব্যথা, ঝিমুনি ভাব সেই সঙ্গে সঙ্গে তলপেটে ব্যথা ও আরও বেশ কিছু সমস্যা দেখা দিতে পারে।

আক্রান্ত হওয়ার ১০ দিনের আগে এই ভাইরাস পরীক্ষা করলেও ধরা না-ও পড়তে পারে। আক্রান্তের মধ্যে থাকতে পারে শ্বাসজনিত সমস্যা ও সর্দি-কাশির সমস্যা। লো ব্লাড প্রেসারের সমস্যাও দেখা দিতে পারে।

এই ভাইরাসে আক্রান্ত হলে দু সপ্তাহের মধ্যেই তা বৃদ্ধি পেয়ে মানব শরীরে বাসা বাঁধতে শুরু করে। এই ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার প্রায় আট সপ্তাহ পর্যন্ত এর উপসর্গগুলি সাধারণ জ্বর, সর্দি-কাশির মতোই। তাই আলাদা করে চেনা মুশকিল। সব থেকে বড় চিন্তার বিষয় হল, এই ভাইরাসে আক্রান্ত হলে লিভার তার কার্যক্ষমতা সম্পূর্ণ ভাবে হারিয়ে ফেলতে পারে।

এ ভাইরাসে মৃত্যুর হার ৩৯ শতাংশ। মানে কোভিড- ১৯ এর চেয়েও ভয়ঙ্কর। তবে করোনার সাথে মিল রয়েছে এক জায়গায়। এই ভাইরাসও ছোঁয়াচে।