ট্রেন্ডি কাফতান: গরমের স্বস্তি ও আরাম

বাঙালির দেশীয় সংস্কৃতির অংশ না হলেও, কাফতান এখন বহুল প্রচলিত একটি পোশাক। পাকিস্তানি ঘরানার হলেও এটি এখন বঙ্গললনার অন্যতম পছন্দের পোশাক হয়ে উঠেছে। নারীদের জন্য সাশ্রয়ী মূল্যের, সহজে পরিধানযোগ্য, আরামদায়ক, স্বস্তিকর পোশাক এই কাফতান।


কাফতানের সবচেয়ে দারুণ দিক হলো, এটি লং কিংবা শর্ট যে-কোনো ফ্যাশনের হতে পারে। চাইলে আপনি পা পর্যন্ত কাফতান পরতে পারেন, আবার পরতে পারেন কোমর পর্যন্তও। ইচ্ছা অনুয়ায়ী ঢিলেঢালা করে রাখা যায়। তবে হালফ্যাশনে ফিগারের সাথে সামাঞ্জস্য করে কাফতান পরাই এখনকার ট্রেন্ড।


অনেকে একটু খোলামেলা পোশাক চান। তারা এটা পরে আরাম পাবেন। অনেকে পর্দার কথা চিন্তা করেন, তাদের জন্যও এটি স্বস্তিকর পোশাক। একদম কবজি পর্যন্ত চলে যায় কাফতানের হাতের অংশ। এক্ষেত্রে যানবাহনে চলার সময় একটু সতর্ক থাকতে হবে, যেন ছিঁড়ে যাওয়ার পরিস্থিতি তৈরি না হয়।



অনেক ফ্যাশন হাউজই এখন কাফতান রাখছে নিজস্ব শো-রুমগুলোতে। দাম যদি হাতের নাগালের মধ্যে চান যেতে হবে, ইসলামপুর, নিউমার্কেট, রাজধানী সুপার মার্কেট কিংবা মিরপুর। সুতি, লিলেন, জর্জেট নানারকম কাপড়ের ৮০০-৯০০ থেকে ততোধিক রেঞ্জের কাফতান কিনতে পারবেন। মূল্য যাচাই করে নিলে একসাথে একাধিক কাফতান কিনতে পারবেন, যা দিয়ে অফিসযাত্রা, পার্টি কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়ে যেতে পারবেন অনায়াসে। উপরের ছবিতে দেখুন, গর্ভকালীন সময়ে কারিনা কাপুর কাফতান পরে কী নিশ্চিন্তে চলাফেরা করছেন। অর্থাৎ শুধু তরুণ বয়সের নারীরাই নন, যে-কোনো বয়স ও রুচির নারীই কাফতান বেছে নিতে পারেন সাজসজ্জার পছন্দনীয় পোশাক হিসেবে।