শীতকালে জুতো-মোজা পরে পায়ে দুর্গন্ধ, মুক্তি মিলবে কীভাবে?

অনেকের দীর্ঘক্ষণ মোজা পরে থাকলে পায়ে অসম্ভব দুর্গন্ধ হয়। তখন মোজা খোলার সময়ে আর এক বিড়ম্বনা তৈরি হয়। কীভাবে নিস্তার পাবেন এই সমস্যা থেকে? ছোটখাটো ঘরোয়া উপায়েই রয়েছে এর সমাধান।


রং চা


রং চা খাওয়া যেমন স্বাস্থ্যকর তেমনই পায়ের দুর্গন্ধের জন্য কার্যকর। দু’টো টি ব্যাগ জলে ফুটিয়ে নিন। সেটা আরও কিছু জলে মিশিয়ে ঠাণ্ডা করে নিন। ১৫-২০ মিনিট পা ডুবিয়ে রাখুন। পায়ে কোনও রকম ছত্রাকজাত সংক্রমণ হওয়ার সম্ভাবনা কমবে।


লবণ জল


মোজা পরলেই পা ঘেমে যাওয়ার সমস্যা নিয়ে নাজেহাল যাঁরা, তাঁদের জন্য এই উপায় হল সেরা। বাড়ি থেকে বেরোনোর আগে ঈষদুষ্ণ নুন জলে পা ডুবিয়ে রাখুন মিনিট পনেরো। নুন ছত্রাক রোধ করতে সক্ষম। ফলে পা ঘামার সমস্যাকে কমিয়ে দেয় অনেকটাই। একটু সময়সাপেক্ষ হলেও পা ঘামার সমস্যা দূর করতে নুন-জলের জুড়ি নেই।


ল্যাভেন্ডার অয়েল


কয়েক ফোটা ল্যভেন্ডার অয়েল আপনার ফুট ক্রিমে মিশিয়ে পায়ে মাসাজ করুন। সব ক্লান্তি মুছে যাবে এবং পায়ের দুর্গন্ধের সমস্যা অনেকটাই কমবে। ল্যাভেন্ডার ছাড়াও চলতে পারে টি ট্রি অয়েল, লেমন অয়েল, পিপারমেন্ট অয়েলের মতো কিছু এসেনশিয়াল অয়েল।


ভিনিগার


একটা গামলায়ে গরম জল নিন। কয়েক চামচ ভিনিগার এবং সি-সল্ট দিতে পারেন। পা ডুবিয়ে বসে থাকুন মিনিট ২০। পায়ের সব ধকল কেটে যাবে এবং দুর্গন্ধের সমস্যা অনেকটাই মিটবে।


বেকিং সোডা


এর অ্যাসিটিক উপাদান পায়ে ব্যাক্টেরিয়া জন্মাতে দেয় না। ঘামকেও ঠেকিয়ে রাখে। তাই মোজা পরার আগে ভাল করে পা ধুয়ে শুকনো করে মুছে নিন। এ বার সামান্য বেকিং সোডা নিয়ে ঘষে নিন পায়ের পাতায়। জুতোর ভিতরেও খানিকটা বেকিং সোডা ছড়িয়ে নিতে পারেন।


ময়েশ্চারাইজার


কোথাও বেরোনোর আগে পায়ে অ্যান্টিব্যাক্টিরিয়াল উপাদান-সমৃদ্ধ কোনও ক্রিম বা ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন। এতে পা খুব তাড়াতাড়ি ঘেমে যাবে না। পা শুকনো থাকলে দুর্গন্ধ বেরোনোর আশঙ্কাও অনেকটা কমে যাবে। এ ছাড়াও আলাদা করে পায়ের যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। সপ্তাহে এক-দু’বার পায়ে স্ক্রাব করুন। সুফল পাবেন।