রোজায় যানজট কমাতে ট্রাফিকের নয়া উদ্যোগ

পবিত্র মাহে রমজান শুরু হচ্ছে মঙ্গলবার। সারা বছর রাজধানীতে যানজট লেগেই থাকে। তবে রমজানে কর্মজীবীদের জন্য বিপাকের কারণ হয়ে উঠে ভয়াবহ যানজট।তাই এ মাসে যানজট সহনীয় রাখতে বেশ কিছু উদ্যোগের পাশাপাশি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ।

রমজানে যানজট নিয়ন্ত্রণে মাঠ পুলিশের পাশাপাশি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদেরও সড়কে দাঁড়াতে নির্দেশ দিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া।

ডিএমপি সদর দফতরে গত ২৫ এপ্রিল মাহে রমজান ও পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন উপলক্ষে ঢাকা মহানগর এলাকার সার্বিক নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার বিশেষ সমন্বয় সভায় এ নির্দেশনা দেয়া হয়।

ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, রোজায় যানজট সহনীয় রাখতে আমাদের যা করণীয় তা বাস্তবায়ন করতে হবে। সাধারণ মানুষ যেন ইফতারের আগে নিজ গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেন, সে লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি।

রাজধানীতে অনেক জায়গায় সড়ক মেরামত ও নতুন ফুটওভার ব্রিজ তৈরি কাজ চলছে। বিশেষ করে মাস র্যাপিড ট্রানজিট(এমআরটি) কাজের কারণে অনেক রাস্তা সংকুচিত হয়ে গেছে।

যানজটে ভোগান্তি কমাতে ট্রাফিক ম্যানেজমেন্টের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয় বাস্তবায়নে ট্রাফিক পুলিশের পাশাপাশি ক্রাইম ডিভিশনের কর্মকর্তাদেরও সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে। সঙ্গে থাকবেন আনসার সদস্যরাও।

রোজায় যানজট কমাতে নেয়া উদ্যোগগুলো-

১. ইন্টারসেকশনে কোনো গাড়ি জটলা করে থাকতে পারবে না

২. নির্ধারিত স্থানে গাড়ি পার্কিং নিশ্চিত করা

৩. ফুটপাতে মোটরসাইকেল উঠলে আইনানুগ ব্যবস্থাগ্রহণ

৪. গুরুত্বপূর্ণ সড়কে রিকশা-ভ্যান-ঠেলাগাড়ি চলাচল বন্ধ করা

৫. চালকদের লাইসেন্স ও গাড়ির ফিটনেস পরীক্ষা করে টার্মিনাল থেকে গাড়ি বের করা

৬. লক্কর-ঝক্কর গাড়ি রাস্তায় নামানো বন্ধ করা

৭. নির্ধারিত স্থানের বাইরে যত্রতত্র বাস থামিয়ে যাত্রী ওঠানো বন্ধ

৮. ফুটপাত হকারমুক্ত রাখতে পুলিশের পাশাপাশি সিটি কর্পোরেশনকে উদ্যোগ নিতে অনুরোধ

৯. দুই সিটি করপোরেশন, ওয়াসাসহ অন্যান্য সেবাদানকারী সংস্থাকে নতুন করে কোনো রাস্তা না খুঁড়তে এবং পুরাতন খোঁড়া রাস্তা দ্রুত মেরামতের অনুরোধ