যেসব জেলায় আঘাত হানবে বুলবুল

অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় বুলবুল বাংলাদেশের উপকূলের দিকে ধেয়ে আসছে। আবহাওয়া অধিদফতরের তথ্যানুযায়ী, ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ শনিবার সন্ধ্যা থেকে মধ্যরাতের মধ্যে বাংলাদেশের উপকূলে আঘাত হানতে পারে। ঘূর্ণিঝড় বাংলাদেশের উপকূলের দিকে ধেয়ে আসায় মংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত ও চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরকে ৬ নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

ঘূর্ণিঝড় ধেয়ে আসায় খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, বরগুনা, পটুয়াখালী, পিরোজপুর ও ভোলা জেলাকে ঝুঁকিপূর্ণ বিবেচনায় রাখা হয়েছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সাত জেলার লোক সরিয়ে নেয়ার জন্য আশ্রয় কেন্দ্রগুলো প্রস্তুত রয়েছে। আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে ২ হাজার করে ১৪ হাজার শুকনো খাবারের প্যাকেট এবং নগদ ১০ লাখ করে মোট ৭০ লাখ টাকা, ২০০ টন করে এক হাজার ৪০০ টন চাল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।’

নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুর, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে ৫ লাখ করে মোট ৬০ লাখ টাকা, ১০০ টন করে চাল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। চাহিদা অনুযায়ী আরও বরাদ্দ দেয়া হবে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।

এনামুর রহমান বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড়টি শনিবার সন্ধ্যা থেকে মধ্যরাতে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে আঘাত হানতে পারে। তবে এতে ফসল ছাড়া বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির শঙ্কা নেই।’

ঘূর্ণিঝড় বুলবুল মোকাবিলায় প্রস্তুতিসহ পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণের জন্য উপকূলীয় ১৩ জেলায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শনি ও রোববারের (৯ ও ১০ নভেম্বর) ছুটি বাতিল করা হয়েছে।

ছুটি বাতিল করে শুক্রবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে ১৩ জেলা প্রশাসকের (ডিসি) কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে। শনিবার (৯ নভেম্বর) সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাপ্তাহিক ছুটি। আর রোববার (১০ নভেম্বর) পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি ছিল।

যেসব জেলার সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে সেগুলো হলো- সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, পটুয়াখালী, ভোলা, বরগুনা, পিরোজপুর, নোয়াখালী, ফেনী, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, খুলনা, কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম।