কেরানীগঞ্জে প্লাস্টিক কারখানায় দগ্ধ ৩২ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক

ঢাকার কেরানীগঞ্জের চুনখুটিয়ায় প্লাস্টিকের ওয়ান টাইমের প্লেট তৈরির একটি কারখানায় আগুনের ঘটনায় দগ্ধ ৩৪ জনের মধ্যে ৩২ জনের অবস্থাই আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের জাতীয় সমন্বয়ক ডাঃ সামন্ত লাল সেন।

দগ্ধ ৩৪ জনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে। দুজনের পায়ে দগ্ধ হয়েছে।

বুধবার (১১ ডিসেম্বর) বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে কেরানীগঞ্জের চুনকুটিয়া এলাকায় প্রাইম পেট অ্যান্ড প্লাস্টিক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড কারখানায় আগুনের সূত্রপাত হয়।

বুধবার রাত ৮টার দিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের প্রধান সমন্বয়ক ডাঃ সামন্ত লাল সেন বলেন, ‘সবাই মেজর দগ্ধ হয়েছেন। আমরা প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দিচ্ছি। অনেককেই আইসিইউতে নিতে হবে। তাদের রাতে আইসিইউতে স্থানন্তর করা হবে। ৩২ জনের সবার অবস্থা আশঙ্কাজনক। অনেকের ৭০-৯০ শতাংশ শরীর দগ্ধ হয়েছে, কারও ৬০-৭০ শতাংশ; তবে  সবার ৩০ শতাংশের বেশি দগ্ধ হয়েছে। এখনই কিছু বলা যাচ্ছে না।’

বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর) সকালে ঢামেক হাসপাতাল ও বার্ন ইউনিটের সিনিয়র চিকিৎসকদের নিয়ে মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হবে।

অগ্নিকাণ্ডে ঘটনাস্থলেই একজনের মৃত্যু হয়।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত কেরানীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার মো. সাইফুল ইসলাম জানান, কারখানার ভেতর থেকে আনুমানিক ২৭ বছর বয়সী একজনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তার পরিচয় জানা যায়নি।

সন্ধ্যার পর ঢাকা মেডিকেলে রোগীদের দেখতে আসেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ওই কারখানার কোনো অনুমোদন ছিল না। কারখানাটি কীভাবে সেখানে হলো, সে ব্যাপারে তদন্ত করা হচ্ছে। ঢাকা মেডিকেলে আসার আগে তিনি দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।