'ধর্ষককে দেখলে চিনতে পারবে মেয়েটি'

রাজধানীর কুর্মিটোলায় ধর্ষণের শিকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীকে দুই-একদিনের মধ্যেই হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল একেএম নাসির উদ্দিন।

আর তার সাহস ও বুদ্ধিমত্তার প্রশংসা করে মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান নাসিমা বেগম বলেছেন, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, সে আসমিকে দেখলে চিনতে পারবে।

মঙ্গলবার (৭ জানুয়ারি) ঢাকা মেডিকেলের ওয়ানস্টপ  ক্রাইসিস সেন্টারে যান মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান।

ঢাকা মহানগর পুলিশের গুলশান বিভাগের উপ-কমিশনার সুদীপ কুমার চক্রবর্তীও ওই শিক্ষার্থীকে দেখতে এসে সাংবাদিকদের সঙ্গে তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে কথা বলেন।

মেয়েটির দেওয়া বর্ণনা থেকে পুলিশ ধারণা পেয়েছে, ধর্ষণকারী একজনই, তার বয়স  ২৫-৩০ বছরের মত। মেয়েটির বাবা ক্যান্টনমেন্ট থানায় যে মামলা করেছেন, সেখানেও একজনকেই আসামি করা হয়েছে।

নাসিমা বেগম বলেন, মেয়েটি দেরি না করে ঢাকা মেডিকেলে গিয়ে বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিয়েছে। আলামত নষ্ট হতে দেয়নি। এখন পরীক্ষা করে ডিএনএ মিলিয়ে প্রকৃত ধর্ষককে শনাক্ত করা কঠিন হওয়ার কথা নয়।

নাসিমা বেগম আরও বলেন, ডিএনএ অধিদপ্তরের অধীনে জাতীয় সার্ভারে ডিএনএ নমুনা সংরক্ষিত থাকলে এ ধরনের অপরাধীকে ধরা অনেক সহজ হত। আলামত পরীক্ষা করে ডিএনএ মিলিয়েই ধর্ষণকারীকে চিহ্নিত করা যেত। তাতে এ ধরনের অপরাধও কমে যেত।