বিয়ের কোনো প্রমাণ দেখাতে পারেননি মামুনুল

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের কাছে রিমান্ডে থাকা হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব ও ঢাকা মহানগরীর সাধারণ সম্পাদক মামুনুল হক প্রথম বিয়ে ছাড়া দুই জান্নাতকেই চুক্তিভিত্তিক বিয়ে করেছিলেন।

অর্থনৈতিক নিশ্চয়তা দিতেই দুই ডিভোর্সি নারীকে বিয়ে করেছিলেন বলে তিনি জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন। এমনকি, মামুনুল প্রথম বিয়ে ছাড়া বাকি দুই বিয়ের স্বপক্ষে কোনো প্রমাণ দেখাতে পারেননি। সাতদিনের রিমান্ডের প্রথম দিনের জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশের কাছে তিনি এমনটাই জানিয়েছেন।

জিজ্ঞাসাবাদে মামুনুল হক জানান, রিসোর্টকাণ্ডে আগে এসব বিয়ের কথা স্বীকার করলে প্রথম স্ত্রী আমেনা তৈয়বা ঝামেলা করতেন বলে ধারণা। এ জন্য তিনি বিষয়টি প্রথমে গোপন করেছিলেন। ব্যস্ততার কারণে জান্নাত আরার সঙ্গে তার ৯ মাস ধরে দেখা-সাক্ষাৎ হচ্ছিল না। জান্নাত তাকে সময় দেয়ার জন্য বারবার বলছিলেন। তাই জান্নাতকে নারায়ণগঞ্জের রয়েল রিসোর্টের নিয়ে গিয়েছিলেন তিনি।

তিনি জিজ্ঞাসাবাদে দাবি করেছেন, দুই বছর ধরে জান্নাত আরার ভরণপোষণ ছাড়াও ব্যবসা করার জন্য মূলধন দিয়েছেন এবং কারিগরি শিক্ষার ব্যবস্থা করেছিলেন।

অন্যদিকে, দ্বিতীয় জান্নাত অর্থাৎ জান্নাতুল ফেরদৌসীর সঙ্গে তার স্বামী সাইদুর রহমানের সঙ্গে ছাড়াছাড়ি (ডিভোর্স) হয়ে যাওয়ার পর তারও দায়িত্ব নেন তিনি। বিয়ে ছাড়াও তার চাকরির ব্যবস্থাও করে দেন মামুনুল হক।