‘কঠোরতম’ লকডাউনে জনসমাগম

কঠোর বিধিনিষেধের প্রথম দিন শুক্রবারে ঢাকায় গ্রেপ্তার হয়েছে ৪০৩ জন। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) জানায়, লকডাউন অমান্য করে অহেতুক ঘোরাফেরা করায় তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ২০৩ জনকে এক লাখ ২৭ হাজার ২৭০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

১৩ জুলাই বিধিনিষেধ আরোপ করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। ওই আদেশে ১৪ জুলাই মধ্যরাত থেকে ২৩ জুলাই সকাল ৬টা পর্যন্ত বিধিনিষেধ শিথিল করা হয়েছিল ঈদের কারণে। ২৩ জুলাই সকাল ৬টা থেকে নতুন করে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছিল ওই ঘোষণায়।

রাজধানী ছাড়াও বিভাগীয় ও জেলা শহরে বিভিন্ন সড়কে রয়েছে পুলিশের চেকপোস্ট। বিধিনিষেধ কার্যকরে টহল দিচ্ছে সেনাবাহিনী ও বিজিবি। সারাদিন ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে। তবে অলিগলির দোকানগুলো খোলা আগের নিয়মেই।

এদিকে, লকডাউনের কারণে সকাল থেকেই মূল সড়কে কোনো দোকানপাট খোলেননি ব্যবসায়ীরা। গণপরিবহন বন্ধ থাকায় জরুরি প্রয়োজনে বের হওয়া অনেককে হেঁটে বা রিকশায় গন্তব্যে রওনা দিতে দেখা যায়। তবে অলিগলিতে ঠিকই খুলেছে দোকান। পুলিশ দেখলেই তা বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে।

তবে বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখা গেছে, অনেকেই বিনা কারণে ঘর থেকে বের হচ্ছেন। অনেকে মাস্ক পরছেন না, কেউবা ঝুলিয়ে রাখছেন থুতনিতে। প্রধান সড়কগুলোতে গণপরিবহন না চললেও রিকশা, মোটরসাইকেল, ব্যক্তিগত পরিবহন সবই চলছে।

শুক্রবার (২৩ জুলাই) সকাল ৬টা থেকে কঠোর বিধিনিষেধ শুরু হয়েছে। ৫ আগস্ট দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত বিধিনিষেধ বহাল থাকবে। এ সময় জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঘরের বাইরে বের হলে তাকে শাস্তির আওতায় নেওয়া হবে। বিধিনিষেধ চলাকালে জনগণকে সতর্ক থাকা, মাস্ক পরিধানসহ স্বাস্থ্যবিধি মানার নির্দেশ দেওয়া হয়।

করোনা সংক্রমণ কমাতে দেশব্যাপী নতুন করে আরোপিত কঠোর বিধিনিষেধের দ্বিতীয় দিন চলছে। ১৪ দিনের কঠোর বিধিনিষেধের দ্বিতীয় দিন শনিবার (২৪ জুলাই) সকাল থেকেই রাজধানীর অলিগলি থেকে প্রধান সড়ক সব জায়গায় জনসমাগম দেখা গেছে।