সাম্প্রদায়িক সহিংসতার নেপথ্যে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য: হানিফ

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ বলেছেন, দেশে সাম্প্রদায়িক সহিংসতার যেসব ঘটনা ঘটেছে, এর প্রতিটির পেছনেই রয়েছে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য। এগুলো নিছক সাম্প্রদায়িক বিষয় নয়। শুধু আমাদের দেশ নয়, গোটা উপমহাদেশে এ ধরনের যত ইস্যু আছে, সবগুলোর মূলেই রয়েছে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য। এমনকি ’৭১ সালের পরাজিত পাক বাহিনীও বাঙালির স্বাধীনতা হরণ করতে শেষ অস্ত্র হিসেবে ধর্মকেই ব্যবহার করেছিল।

তিনি বলেন, আমাদের মধ্যে অনেকেই ধর্মীয় শিক্ষাকে এসব সাম্প্রদায়িক ঘটনার মূল কারণ হিসেবে উল্লেখ করে থাকেন। ইতিহাস কিন্তু তা বলে না। সাম্প্রদায়িকতার শিকার হয়েছে আমাদের ৩০ লাখ তাজা প্রাণ। ২ লাখ মা বোনের সম্ভ্রম খোয়াতে হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে সেই সাম্প্রাদায়িকতা মোকাবেলা করেই আমরা স্বাধীন হয়েছি। জাতির পিতা আমাদের সেই চার মূলনীতি- গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, বাঙালি জাতীয়তাবাদ ও ধর্ম নিরপেক্ষতার ওপর ভিত্তি করেই স্বাধীন বাংলাদেশ গঠনের পথে হেঁটেছিলেন। ’৭০ এর নির্বাচন, মুক্তিযুদ্ধ সবকিছুই হয়েছিল এই চার মূলনীতির ওপর ভিত্তি করে। কিন্তু ’৭৫ এ সেই পরাজিত শক্তির হাতেই থেমে যায় বাঙালির আগ্রযাত্রা।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর তোপখানা রোডের সিরডাপ অডিটোরিয়ামে গৌরব’৭১ আয়োজিত ‘সাম্প্রদায়িকতা ও জঙ্গিবাদ প্রতিরোধে আমাদের করনীয়’ শীর্ষক এক গোলটেবিল আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে হানিফ এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন গৌরব’৭১ সভাপতি একেএম মনিরুল ইসলাম। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন গৌর’৭১-এর সাধারণ সম্পাদক এফএম শাহীন।

কুমিল্লার সাম্প্রতিক ঘটনার রেশ টেনে তিনি বলেন, অতীতে এদেশে সাম্প্রদায়িক বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ঘটলেও ধর্মীয় উৎসবের সময় এরকম পরিকল্পিত ঘটনা এবারই প্রথম। এর পেছনে যে সুপরিকল্পিত রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে, সেটা আজকে দিনের আলোর মতই পরিস্কার। এই ঘটনার সাথে বিএনপির তৃণমূল থেকে একদম উচ্চ পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সম্পৃক্ততার প্রমাণ এখন সবার চোখের সামনে।



মাহবুবউল আলম হানিফ বলেন, আমাদের বাঙালি জাতির একটি সমৃদ্ধ ইতিহাস-ঐতিহ্য আছে। হাজার বছরের একটি সমৃদ্ধ অতীত আছে। গ্রাম বাংলায় পল্লিগীতি জারি সারি, ভাটিয়ালি গান ছিল। কিন্তু বর্তমানে এসবের জায়গা দখল করে নিয়েছে ধর্মীয় ওয়াজ মাহফিল। এসব ধর্মীয় নেতাদের অধিকাংশ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে বিশেষ একটি মহলের স্বার্থ হাসিলের জন্য বিভিন্ন উস্কানিমূলক বক্তব্য দিয়ে থাকে।

উস্কানিদাতা ধর্মীয় নেতা ও বক্তাদের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ওয়াজ মাহফিলে স্রোতাদের আকৃষ্ট করার জন্য তারা নারীদের নিয়ে বিভিন্ন রকম সুড়সুড়িমূলক বক্তব্য দিয়ে থাকেন। এদের মূল লক্ষ্য কিন্তু সমাজের কোনো উন্নতি নয়, মানুষের মেধা-মননের উন্নয়নও তাদের উদ্দেশ্য নয়। তাদের মূল লক্ষ্য হচ্ছে রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিল করা। এরাই আমাদের সমাজের অসচেতন মানুষকে ধর্মান্ধতার বেড়াজালে আবদ্ধ করে রেখেছে। ধর্ম পালন নয়, উস্কানি দিয়ে ধর্মান্ধ একটি জাতি তৈরি করাই এদের মূল লক্ষ্য। মানুষের আবেগকে পুঁজি করে তারা রাজনৈতিক শক্তি বাড়াতে চায়। এসব ব্যাপারে সরকারের সতর্ক দৃষ্টি আছে। এই সংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে।

ভারতীয় উপমহাদেশের সাংস্কৃতিক সম্প্রীতির ইতিহাস তুলে ধরে আওয়ামী লীগের এই সিনিয়র নেতা বলেন, এ উপমহাদেশে যেমন হাজার বছরের হিন্দু-মুসলিমের সম্প্রীতির ইতিহাস আছে, তেমনি ভয়ংকর সাম্প্রদায়িক সংঘাতেরও নজির আছে। অতীত থেকেই এসব ঘটনার পরে সাম্প্রদায়িক শক্তি মূল ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করে সরকারকে বেকায়দায় ফেলার অপচেষ্টা করে আসছে। ধর্মপ্রাণ মানুষকে ধর্মান্ধ করার অপচেষ্টা এখনো অব্যাহত রয়েছে। এসব অপচেষ্টা রুখে দিতেই শেখ হাসিনা সরকার শিক্ষার প্রসারের দিকে সবচেয়ে বেশি জোর দিয়েছে। কারণ কেবল শিক্ষার আলোই পারে মানুষের মন থেকে কুসংস্কার, ধর্মীয় গোঁড়ামি ও সাম্প্রাদায়িক মনোভাব দূর করতে।



বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের সমালোচনা করে তিনি বলেন, স্বাধীনতার এই চার মূলে প্রথম আঘাত করেছিলেন পরাজিত শক্তির দোসর জিয়া। নিষিদ্ধঘোষিত ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দল জামায়াত-শিবিরকে জিয়াই সর্বপ্রথম রাজনীতি করার সুযোগ তৈরি করে দিয়েছিলেন। দালাল আইন বাতিল করে গোলাম আজমকে নাগরিকত্ব দেয়া, রাজাকারদের নিয়ে মন্ত্রী পরিষদ গঠনসহ দেশকে পুরোপুরি উল্টো রথে পরিচালনা করা শুরু করেছিলেন তিনি। যে পাকিস্তানের সাথে যুদ্ধ করে আমরা একটি স্বাধীন রাষ্ট্র পেলাম, যে আদর্শ ধারণ করে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আমরা দেশকে স্বাধীন করলাম, জিয়া এসে সেসব পদদলিত করেন। ঠিক তখন থেকেই কিন্তু স্বাধীন বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক বিষবৃক্ষ বপণ করা হয়েছিল। পরাজিত পাকিস্তানি আদর্শে দেশ চালানো শুরু হয়েছিল। পরে এরশাদ ক্ষমতায় এসে সেই গাছের গোঁড়ায় পানি দিয়ে সাম্প্রদায়িক সেই বৃক্ষকে আজকের মহীরুহে পরিণত করেছেন। ’৯১ এ ক্ষমতায় এসে খালেদা জিয়াও সেই একই পথে হেঁটেছেন। সাম্প্রদায়িক রাজনীতির আশ্রয় নিয়ে স্বাধীনতাবিরোধীদের নিয়ে তিনি সরকার গঠন করেছেন। ফলে এই বিষবৃক্ষের শিকড় কিন্তু এখন অনেক গভীরে।


দেশ পরিচালনায় শেখ হাসিনার কৃতিত্ব উল্লেখ করে মাহবুবউল আলম হানিফ বলেন, ১৯৯৬ সালে শেখ হাসিনা যখন জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে ক্ষমতায় আসেন, তাকে দীর্ঘ ২১ বছরের জঞ্জাল পরিস্কার করতে হয়েছিল। স্বাধীনতার পরে দ্বিতীয় স্বাধীনতার স্বাদ পেয়েছিল বাঙালি জাতি। এসব জঞ্জাল ও অপশক্তির সাথে লড়াই করে দেশকে মূলধারায় ফিরিয়ে আনতেই কেটে যায় ৫টি বছর। ২০০১ সালে আবারো ক্ষমতায় আসে সেই পরাজিত শক্তি বিএনপি। ২০০৬ সাল পর্যন্ত আবার আমরা দেশকে পাকিস্তানি ভাবধারায় পরিচালিত হতে দেখলাম। ফলে সাম্প্রাদায়িকতার সেই আস্ফালন ছড়িয়ে পরে শিকড় থেকে শিখরে। যার ফল আজকে প্রতিটি বাঙালি প্রতি মুহূর্তে ভোগ করছে।

মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে তিনি বলেন, আমাদের দেশে মাদ্রাসায় যারা পড়ে বেশিরভাগই হতদরিদ্র পরিবার থেকে আসা। তারা এসব কূটরাজনীতির বলির পাঠা মাত্র। মাদ্রাসার হুজুর যখন তাদের এধরনের কোনো রাজনৈতিক কাজের নির্দেশ দেন, তাদের আসলে কিছু করার থাকে না। তারা বাধ্য হয় এসব কর্মকাণ্ডে জড়াতে। যার সবচেয়ে বড় উদাহরণ ৫ মে হেফাজতের তাণ্ডবলীলা। আমি মাদ্রাসার ছাত্রদের এর জন্য দায়ী করছি না। এসব প্রতিষ্ঠানে যে একমুখী শিক্ষা ব্যবস্থা রয়েছে, আজকের দিনে এসে তা যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে পারছে না। এই শিক্ষা ব্যবস্থার পরিবর্তন না করা হলে ভবিষ্যতেও তাদের কর্মসংস্থান অনেকটাই একমুখী বা অনিশ্চিত হয়ে যাবে। ফলে তাদের বিপথে পরিচালিত হবার একটি আশঙ্কা রয়েছে। মাদ্রাসা শিক্ষা যুগোপযোগী করা এখন সময়ের দাবি।

সাম্প্রদায়িক এসব সহিংসতার অন্যতম বড় কারণ হিসেবে সোশ্যাল মিডিয়াকে দায়ী করে আওয়ামী লীগের এই সিনিয়র নেতা বলেন, আজকের বিশ্বে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের একটি বড় ভূমিকা রয়েছে। কুমিল্লার ঘটনা, রংপুরের পীরগঞ্জের ঘটনা থেকে শুরু করে ছোট বড় বেশ কিছু সহিংসতার সূত্রপাত হয়েছিল ফেসবুক থেকেই। এসব রুখতে হলে সোশ্যাল মিডিয়া মনিটরিং করতে হবে। পৃথিবীর প্রায় সব দেশেই এসব মনিটরিং করে থাকে। ফেসবুক শুধুমাত্র ব্যাবসায়িক উদ্দেশে পরিচালিত হচ্ছে। কিন্তু তাদের ব্যাবসায়িক মনোভাবের কারণে আমার দেশের মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হবে এটা তো মেনে নেয়া যাবে না। ফেসবুকের উপর আইনি নিয়ন্ত্রনের জন্য সংশ্লিষ্টের উদ্যোগ নেয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি।



বিচারিক দীর্ঘসূত্রতা নিয়ে তিনি বলেন, সাম্প্রদায়িক সহিংসতার মত অপরাধের ক্ষেত্রে বিচারিক দীর্ঘসূত্রতা একটি বড় বাধা। ঠিকমত বিচার হয় না বলেই এই অপরাধীরা পুনরায় অপরাধ করার সাহস পায়। প্রয়োজন হলে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করে দ্রুত সময়ের মধ্যে এদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। আইনমন্ত্রী ইতোমধ্যে আমাকে এই ধরনের একটি ইঙ্গিত দিয়েছেন। আশা করা যায় দ্রুত এর একটি আইনগত সমাধান আসবে। কারণ অপরাধীর দ্রুত শাস্তি না হলে অপরাধ দূর করাও সম্ভব হবে না।

রাজনীতিতে বহিঃশক্তির কুপ্রভাব নিয়ে হানিফ বলেন, আমাদের দেশের রাজনীতির সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে বহিঃশক্তির প্রভাব। ’৭১ সালে যুদ্ধ করে স্বাধীন হয়েছি স্বাধীনভাবে বাঁচার জন্য। বাঙালি জাতীয়তাবাদ নিয়ে বাঁচার জন্য। কিন্তু ’৭৫ এর পর থেকে যতদিন যাচ্ছে, ততই পাকিস্তানি পরাজিত শক্তির আদর্শ বিএনপির কাঁধে ভর করে দেশে প্রভাব বিস্তার করতে চাচ্ছে। এটা দেশের জন্য একটি অশনি সঙ্কেত। যে সব রাজনৈতিক দল এখনো পাকিস্তানি ভাবধারা মনে ধারণ করে, আমার মনে হয় তাদের সর্বাত্মক বয়কট করার এখনই সময়। ৯ মাস যুদ্ধ করেছি পাকিস্তানি আদর্শ ধারণ করার জন্য নয়। এ ধরনের আদর্শ যারাই ধারণ করবে, তাদেরকে সমূলে শিক্ষা দিতে হবে, যেন এরা আর ভবিষ্যতে রাজনীতি করার সুযোগ না পায়।


গোলটেবিল আলোচনায় অংশগ্রহণকারীদের প্রশ্নের উত্তর পর্বে আওয়ামী লীগের এই যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, অপরাধীদের সম্পর্কে দল হিসবে আওয়ামী লীগ জিরো টলারেন্স নীতিতে চলে। দলের ভেতরে যারা বুঝে বা না বুঝে এসব উস্কানিমূলক বক্তব্য দিচ্ছে, তাদের কিন্তু সাথে সাথে বহিস্কার করা হচ্ছে। শুধুমাত্র ছাত্রলীগ থেকেই ১৪ জনকে বহিস্কার করা হয়েছে। সারা দেশ থেকে তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করে আমরা দলের মধ্য থেকেই শুদ্ধি অভিযান অব্যাহত রেখেছি। আবার অনেকে আছেন যাদের দলীয় কোনো ধরনের পদ-পদবি নেই। এসব ক্ষেত্রে আমরা আইনি ব্যবস্থা নিচ্ছি।

ধর্মকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করার অপসংস্কৃতি থেকে বের হবার তাগিদ দিয়ে তিনি বলেন, ধর্মকে যে শুধু জামায়াতই হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছে তা কিন্তু নয়। বিএনপি ও এর রাজনৈতিক মিত্ররাও একই পথে হাঁটছে। কুমিল্লার ঘটনায় বিএনপির ওয়ার্ড কাউন্সিলর যুবদল নেতা থেকে শুরু করে উচ্চপর্যায়ের নেতাদেরও সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেছে। নোয়াখালীর চৌমুহনিতে হামলার ব্যাপারেও বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ের এক নেতার নাম উঠে এসেছে। এ থেকে এটাই প্রমাণ হয় তারা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য চরিতার্থ করার জন্য বারবার ধর্মকে ব্যবহার করেছে সাম্প্রাদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করেছে। এধরনের রাজনীতি থেকে বের হয়ে আসতে হবে।


বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলামের সাম্প্রতিক একটি বক্তব্যের সমালোচনা করে হানিফ আরো বলেন, ২০০৪ সালের গ্রেনেড হামলার পর যে জজ মিয়া নাটক তারা করেছিল আমরা শুরু থেকেই সেটা বলে আসছিলাম। কিন্তু বিএনপি কখনো সেটা স্বীকার করেনি। তবে কুমিল্লাকাণ্ডে ইকবাল হোসেনের ব্যাপারে মন্তব্য করতে গিয়ে ফখরুল ইসলাম নিজের মুখেই জজ মিয়া নাটকের কথা স্বীকার করেছেন। সেজন্যই বলি পাপ কখনো কাউকে ছাড়ে না। কুমিল্লার ঘটনার সাথে যে তার দল জড়িত এটা জনগণ বুঝতে পেরে গেছে। একারণে ভিত হয়েই ফখরুল সাহেব এসব কথা বলছেন। এই ঘটনায় অপরাধী যেই হোক না কেন, বিচারের আওতায় আনার জন্য জননেত্রী শেখ হাসিনা কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন। সে যে দলের লোকই হোক বা যত ক্ষমতাধরই হোক না কেন, আইনের হাত থেকে কারো রেহাই হবে না। যে কোনো মূল্যে বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে সম্প্রীতি রক্ষা করতে আমরা বদ্ধপরিকর।

অন্যান্যের মধ্যে আলোচনায় অংশ নেন, সাবেক বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি ড. মুহাম্মদ সামাদ, সাবেক আইজিপি শহীদুল হক, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সহ-সভাপতি কাজল দেবনাথ, শহীদ বুদ্ধিজীবীর সন্তান ডা. নুজহাত চৌধুরী, আওয়ামী লীগের উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, আওয়ামী লীগের শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য সালাহউদ্দীন চৌধুরী, আওয়ামী যুব মহিলা লীগের সহ-সভাপতি কুহেলী কুদ্দুস মুক্তি, সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলনের সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক জাহাঙ্গীর আলম, ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বরিকুল ইসলাম বাধন প্রমুখ।