সহিংসতা ছাড়াই নারায়ণগঞ্জে ভোট সম্পন্ন, চলছে গণনা

উল্লেখযোগ্য কোনো সহিংসতা ছাড়াই নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন (নাসিক) নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। যদিও স্বতন্ত্র প্রার্থী তৈমুরের অভিযোগ ছিল কেন্দ্র থেকে এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী অভিযোগ করেন ভোটগ্রহণ কোথাও কোথাও খুবই ধীরগতিতে হয়েছে। এদিকে, ভোটগ্রহণ শেষে এখন চলছে গণনা।


রবিবার (১৬ জানুয়ারি) সকাল ৮টায় শুরু হয়ে একটানা বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলে ভোটগ্রহণ। পুরো নির্বাচনের ভোট নেওয়া হয়েছে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম)।


ইসির যুগ্ম সচিব এসএম আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, নির্বাচনে মেয়র পদে সাত জন, সংরক্ষিত নারী ওয়ার্ডে ৩৪ জন এবং ২৭টি সাধারণ ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদে ১৪৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।


মেয়র পদের সাত প্রার্থী হলেন- খেলাফত মজলিসের এবিএম সিরাজুল মামুন (দেওয়াল ঘড়ি), স্বতন্ত্র (বিএনপি নেতা) তৈমুর আলম খন্দকার (হাতি), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মাও. মো. মাছুম বিল্লাহ (হাতপাখ), বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মো. জসীম উদ্দিন (বটগাছ), বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির মো. রাশেদ ফেরদৌস (হাতঘড়ি), স্বতন্ত্র প্রার্থী কামরুল ইসলাম (ঘোড়া) এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সেলিনা হায়াৎ আইভী (নৌকা)।


এবার ৫ লাখ ১৭ হাজার ৩৬১ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পেয়েছেন। মোট ১৯২টি ভোটকেন্দ্রে ১ হাজার ৩৩৩টি ভোটকক্ষে ভোট নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৩০টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করে মাঠ প্রশাসন।


২০১১ সালে সিটি করপোরেশন হিসেবে যাত্রা শুরুর পর নাসিকে এ নিয়ে তৃতীয়বার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।