ছাত্রলীগ নেতার বাড়ির কোরআন শরীফ পোড়ানো কি জায়েজ?

শাহাদাত শোভন। ব্রাক্ষণবাড়ীয়া জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক। বিধ্বস্ত বাস্তুভিটায় পিতা-পুত্রের এমন আবেগময় দৃশ্য কোন সংবেদনশীল মানুষ আপ্লুত না হয়ে পারে না। কি অপরাধ?

জীবনের সবচেয়ে সুন্দর সময় টা এই ছাত্রলীগের সাথেই কাটিয়েছি, মানুষের মানবিক অধিকার প্রতিষ্ঠা, গণতন্ত্র, সাম্য, স্বাধীনতার প্রশ্নে কোনা আপোষ করিনি,নিরন্তর লড়াই করেছি, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা আজ তারই কন্যার হাত ধরে বাস্তবে প্রোজ্বল।

হ্যাঁ আমরা যারা ছাত্রলীগ করেছি এবং যারা করছে আমাদের একটা মায়াবী পারিবারিক জীবন আছে যেখানে বাবা-মা ,ভাই-বোন নিয়ে আমাদের বসবাস।

আমাদেরও ঘুম ভাঙ্গে কোন মুয়াজ্জিনের আযানের ধ্বনিতে,কেবলামুখী হয়ে আমরাও প্রার্থনায় রত হই, পবিত্র কোরান শরীফ আমরাও পড়ি, আমরাও উচ্চারন করি কোরান শরীফের অমর বাণী-“ অতঃপর তোমার প্রভুর কোন কোন অবদান কে অস্বীকার করবে”।



আমাদের বাবা-মা আমাদেরকে তাই শিখিয়েছে। ছাত্রলীগ নেতার বাড়ির কোরআন শরীফ পোড়ানো কি জায়েজ? দাড়ি , টুপি,পাগড়ি পরা শশ্রুমন্ডিত শোভনের বাবা, অনেক কষ্টে তিল তিল করে গড়া শোভনের মা’র সংসার টা এভাবে তছনছ করে দিল। আল্লাহর সৃষ্টি তো এত নিষ্ঠুর হতে পারেনা।কোন পৈশাচিক উল্লাস এ হায়েনাদের?

শোভন আমরা তোমার পাশে আছি। একাত্তরে ওরা আমাদেরকে কাফের বলেছিল। বলেছিল এ দেশ টিকবেনা। পঞ্চাশ পার করছে এ দেশ। দিন শেষে আমরাই জয়ী হয়েছি।আমরাই জিতব ইনশাল্লাহ্।

জয় বাংলা
জয় বঙ্গবন্ধু ।

(মাহমুদ সালাহউদ্দিন চৌধুরীর ফেসবুক থেকে)