মোবাইলের চার্জ দীর্ঘ সময় ধরে রাখবেন যেভাবে

আজকাল স্মার্টফোন ছাড়া চলেই না। কথা বলা, ছবি পাঠানো, ইন্টারনেট ব্যবহার, এমনকি আপনি কয় পা হাঁটলেন, তারও হিসাব দিতে পারে স্মার্টফোন। নিত্যসঙ্গী এই মোবাইল ফোনের ব্যাটারি নিয়ে মাঝেমধ্যেই হয় নানা ঝুটঝামেলা।

দেখা গেছে জরুরী কোনো কাজে বের হয়েছেন, অমনিই ফোনের চার্জ চলে গেছে। ব্যস দিনটাই মাটি। তবে কয়েকটি সাধারণ কৌশলেই স্মার্টফোনের ব্যাটারির চার্জ অনেক ক্ষণ ধরে রাখা যায়। জেনে নিন সেই উপায়গুলো:

নতুন মোবাইল কিনে প্রথমেই কমপক্ষে আট থেকে দশ ঘণ্টা চার্জ দিন। এবং অবশ্যই মোবাইল বন্ধ করে।

একটি স্মার্টফোনের ব্যাকগ্রাউন্ডে আরও অনেক অ্যাপ্লিকেশন চালু থাকে। এর মধ্যে একটি হলো বিভিন্ন অ্যাপের স্বয়ংক্রিয়ভাবে হালনাগাদ (অটো আপডেট) হওয়ার ব্যবস্থা। এটি বন্ধ রাখলে ব্যাটারির চার্জ খরচ কম হবে।

খুব বেশি প্রয়োজন না হলে মোবাইল ভাইব্রেশন মোডে রাখবেন না।

আপনার অ্যানড্রয়েড সেটে কখনও দীর্ঘ সময় ধরে গেমস খেলবেন না। এতে ব্যাটারিতে অনেক চাপ পড়ে আরও দ্রুত চার্জ শেষ হয়ে যায়।

অপ্রয়োজনীয় অ্যাপসগুলো বন্ধ করে দিন। ব্লুটুথ, ওয়াইফাই, হটস্পট, টেথারিং, ডেটা কানেকশন প্রয়োজন না পড়লে বন্ধ করে রাখাই ভালো।

ফোনের ডিসপ্লে ব্রাইটনেস যতটা সম্ভব কমিয়ে রাখুন। ডিসপ্লে টাইম আউট যথা সম্ভব কম রাখুন। ফোনের জিপিএস বন্ধ রাখুন।

যেসব অ্যাপ্লিকেশনে লোকেশন ট্র্যাকিংয়ের প্রয়োজন নেই, সেসব ক্ষেত্রে এই সুবিধা বন্ধ রাখা যেতে পারে। অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের সেটিংসে গিয়ে লোকেশন ট্র্যাকিং বন্ধ করা যায়।

স্মার্টফোনকে আকর্ষণীয় করে তুলতে বিভিন্ন ভিজ্যুয়াল ইফেক্ট ও অ্যানিমেটেড ওয়ালপেপারের জুড়ি নেই। কিন্তু এসব চালাতে ব্যাটারির চার্জও বেশি পোড়ে।

কয়েকটি অ্যাপ্লিকেশন রয়েছে, যেগুলো ব্যাটারির চার্জ দীর্ঘক্ষণ ধরে রাখতে সাহায্য করে। সেই অ্যাপ্লিকেশনগুলো ব্যবহার করতে পারেন।

এখনকার স্মার্টফোনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের অ্যাপ্লিকেশন প্রি-ইনস্টল করা থাকে। ফেসবুকের এই অ্যাপে ব্যাটারির চার্জ বেশি খরচ হয়। তাই অ্যাপের বদলে ব্রাউজার দিয়ে ফেসবুক ব্যবহার করা ভালো।

ব্যাটারির চার্জ পুরোপুরি শেষ হয়ে গেলে, তবেই চার্জ দিন। ফুলচার্জ হওয়ার পর চার্জার ডিসকানেক্ট করুন। সব সময় আসল চার্জার ব্যবহার করুন।