বিশ্বে একটি জনপ্রিয় নাম ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, অভ্যন্তরীণ চাহিদার ৯০ শতাংশ মোবাইলফোন দেশেই উৎপাদনের পর তা এখন বিদেশেও রফতানি করা হচ্ছে। এখন ‌‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ সারা বিশ্বের কাছে একটি জনপ্রিয় নাম।


তিনি বলেন, অথচ একসময় আমরা এই ধরনের ইলেকট্রনিক্স বা ডিজিটাল ডিভাইস উৎপাদন বা রফতানি তো পরের কথা, আমদানি করে ব্যবহার করবো সেই সাহসও পেতাম না। কারণ আমাদের অর্থনীতির সেই সমৃদ্ধি ছিলো না। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা আজ তলাবিহীন ঝুঁড়ি নয়, সম্পদে সমৃদ্ধ ঝুড়িতে পরিণত হয়েছে।


বৃহস্পতিবার (৫মে) নিউইয়র্ক ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী।


পলক বলেন, দারিদ্র ও দুর্নীতির লজ্জাবোধের জায়গা থেকে বাংলাদেশ এখন সম্মানজনক অবস্থানে এসেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তাঁর আইসিটি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের নেতৃত্বের কারণেই এটা সম্ভব হয়েছে।


পলক আরো বলেন, ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু ইপিআর এর ওয়্যারলেস সিস্টেম প্রযুক্তি করে স্বাধীনতার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা বাংলাদেশের সর্বত্র পৌঁছে দিয়েছিলেন।


তিনি বলেন, এবার আমরা সঙ্গীতের ভাষায় সারা বিশ্বের সাইবার জগতকে নিরাপদ করতে চাই।


বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে স্বাধীনতা যুদ্ধকালে পন্ডিত রবিশঙ্কর ও জর্জ হ্যারিসনের অনন্য উদ্যোগকে স্মরণীয় করতে আয়োজিত ‘বাংলাদেশ কনসার্ট’ উপলক্ষ্যে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।


কনসার্ট বাস্তবায়নকারী সংস্থা হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বিকর্ণ কুমার ঘোষের সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলন সঞ্চালনা করেন নিউইয়র্কের বাংলাদেশ কনস্যুলর মনিরুল ইসলাম।


অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেনন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট নুরুল আলম রুহুল, অপারাজিতা হক, এটুআই নীতি উপদেষ্টা আনির চৌধুরী, ডিজিটাল নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষের মহাপরিচালক খায়রুল আমিন, তথ্যপ্রযুক্তি অধিদফতরের মহাপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) রেজাউল মাকসুদ জাহেদী প্রমুখ।


সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, পারিপার্শ্বিক বাস্তবতায় তিন দফা তারিখ পিছিয়ে আগামী ৬ মে ঐতিহাসিক ম্যাডিসন স্কয়ারে অনুষ্ঠিত হবে গোল্ডেন জুবিলি বাংলাদেশ কনসার্ট। এরই মধ্যে ৪ হাজারের মতো টিকেট বিক্রি হয়েছে। আর বাংলাদেশ যেহেতু এখন একটি সমৃদ্ধ ও মর্যাদাপূর্ণ রাষ্ট্র তাই এই কনসার্ট থেকে অর্জিত আয় সাইবার নিরাপত্তায় ইউএনডিপির তহবিলে দেয়া হবে। পাশাপাশি আগামী বছর থেকে ইউএনডিপি-বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান গ্লোবাল সাইবার সিকিউরিটি অ্যাওয়ারনেস অ্যাওয়ার্ড প্রচলন করা হবে।