রোডসের চাকরি গেছে, নাকি যায়নি?

বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের হেড কোচ স্টিভ রোডসের চাকরি গেছে নাকি যায়নি তা নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোয়াশা! বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন চৌধুরী জানান রোডসকে না করে দেওয়া হয়েছে। তবে এর দুই দিন পর বিসিবি সভাপতি জানালেন রোডসকে না করা হয়নি। মূলত এ কারণেই তৈরি হয়েছে ধোয়াশার।

২০২০ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ পর্যন্ত বাংলাদেশের সঙ্গে চুক্তি ছিল প্রধান কোচ স্টিভ রোডসের। তবে বিশ্বকাপে আশানুরূপ পারফরম্যান্স না পাওয়ায় অনেক আগেই ইংলিশ কোচের সঙ্গে চুক্তি বাতিল করা হয়েছে বলে জানান নিজামউদ্দিন চৌধুরী।

সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে বিসিবির সিইও নিজামউদ্দিন চৌধুরী সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, রোডসকে তিনি জানিয়ে দিয়েছেন, তাকে আর রাখা হচ্ছে না।

মূলত প্রতি বিশ্বকাপের পর প্রত্যেক দলেরই একটা মূল্যায়ন হয় কোচিং স্টাফ, খেলোয়াড়দের নিয়ে। এটাই এটার একটা প্রক্রিয়া। একেকজনের একেক রকম ধরন থাকে। ওর ধরন খারাপ সেটা বলছি না। কিন্তু অনেক সময় হয় কি, আমাদের সঙ্গে একই রকম চিন্তাধারা না থাকলে অনেক সমস্যা হয়। সেজন্য আমরা মনে করেছি...(বিকল্প ভাবার)।

তবে কোচের সঙ্গে পারস্পারিক বোঝাপড়ায় সম্পর্ক ছিন্ন করে ফেললেও বিসিবি প্রধান জানান, এখনো নাকি চাইলে কয়েকমাস থেকে যেতে পারেন রোডস। কিন্তু তাকে আমরা বাদ দেইনি। তার একটা অপশন ছিল যে ইচ্ছা করলে থাকতেও পারে। আরও কয়েকমাস থাকতে পারে। তার সঙ্গে পারষ্পারিকভাবে আলাপ করে দেখেছি। বড় একটা সম্ভাবনা আছে ও চলে যাবে। কিন্তু এখন পর্যন্ত আমরা তার কাছ থেকে কিছু  (উত্তর) পাইনি। কাজেই অপশন শেষ হয়নি।

এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা রোডসের ওপর ছেড়ে দিলেন নাজমুল হাসান, আমরা ধারণা তিনিই সিদ্ধান্ত জানাবেন। আমি এখন পর্যন্ত জানি না। হয়ত দুই-এক দিনের মধ্যে সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেবেন। সামনে যেহেতু টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আছে, তাড়াতাড়ি এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।

এর মানে স্টিভ রোডস এখনো বরখাস্ত হননি। তিনি চাইলে আবার চাকরিতে যোগ দিতে পারেন। তবে রোডস এখন কী করেন সেটাই দেখার বিষয়। কারণ বিশ্বকাপের পর লন্ডন ছুটিতে থাকা রোডস এ ব্যাপারে এখনো মুখ খুলেননি।