রিয়াল মাদ্রিদ ও বার্সেলোনা কিনেছে যাদের

জমে উঠেছে ইউরোপের ফুটবলের গ্রীস্মের দলবদল। প্রত্যেক দলই নেমে পড়েছে তাদের পছন্দের ফুটবলারকে দলে ভেড়াতে।

এবারের ট্রান্সফারের মৌসুমটা বেশ সিরিয়াসলি নিয়েছে বিশ্বের সবচেয়ে দামি ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদ। এর কারণ তাদের গত মৌসুমের পারফর্ম।

গত মৌসুমে চ্যাম্পিয়ন্স লীগের সেমিফাইনাল থেকে অপ্রত্য্যাশিতভাবে বিদায় নেয় বার্সা। তখনই বার্সা সভাপতি ঘোষণা দিয়েছিলেন নতুন মৌসুমে নতুন রূপে ফেরার। এখন সেই ঘোষণামতোই কাজ করছেন তিনি।

ইতোমধ্যেই ১২০ মিলিয়নে দলে ভিড়িয়েছেন গ্রিজম্য্যানের মতো তারকাকে। তাদের রাডারে আছে নেইমার ও মার্টিনেজের মতো তারকারাও।

বার্সেলোনা কিনেছে যাদের

ফ্রাঙ্কি ডি জং: বার্সা দলবদলের মাঝেই আয়াক্স থেকে কিনেছে ডাচ মিডফিল্ডার জংকে। এই তরুণের পেছনে তারা খরচ করেছে ৭৫ মিলিয়ন। খুব শিগগিরই দলের সাথে যোগ দেবেন ফ্রাঙ্কি।

লুডোভিট রেইস: সবাইকে অবাক করে দিয়ে এফসি গ্রোনোগাইন থেকে লুডোভিট রেইসকে দলে ভিড়িয়েছে কাতালানরা। এই মিডফিল্ডারের পেছনে তাদের খরচ মাত্র সাড়ে ৩ মিলিয়ন।

হিরোকি আবে: জাপানিজ লীগের দল কাশিমি থেকে এই তরুণকে ৪ বছরের চুক্তিতে এনেছে বার্সা। আপাতত এই মিডফিল্ডারকে বি টিমে খেলতে হবে। যোগ্যতার প্রমাণ দিয়ে তবেই মূল দলে খেলার সুযোগ পাবেন।

আতোয়ান গ্রিজম্যান: ২৮ বছরের ফরাসি তারকার সাথে ৫ বছরের চুক্তি হয়েছে বার্সার। চুক্তির পরই তারা গ্রিজম্য্যানের রিলিজ ক্লজ ৮০০ মিলিয়ন করে দিয়েছে। তাকে কেনা হয়েছে ১২০ মিলিয়ন ইউরো দিয়ে।

নেতো: এই গোলকিপারকে কিনতে বার্সার খরচ হয়েছে ২৯ মিলিয়ন। ভ্যালেন্সিয়া থেকে ৪ বছরের চুক্তিতে দলে এসেছেন তিনি

রিয়াল মাদ্রিদ কিনেছে যাদের

জুনের দলবদল শুরু হওয়ার আগেই তারা সান্তোস থেকে ৫৮ মিলিয়নে দলে ভিড়িয়েছে ব্রাজিলের উদীয়মান তরুণ রদ্রিগোকে। এই তরুণকে বলা হয় ওয়ান্ডার বয়। তাকে ব্রাজিলের পরবর্তী নেইমারও বলা হয়। ধারণা করা হচ্ছে রিয়ালের পরবর্তী স্টার হবেন তিনি।

মাসখানেক আগে এডার মিলিতোকে ৫০ মিলিয়নে দলে ভিড়িয়েছিল রিয়াল। এটা কোনো ডিফেন্ডারের পেছনে রিয়ালের সর্বোচ্চ খরচ। এই তরুণ মূলত সেন্ট্রাল ডিফেন্ডার হিসেবে খেলে থাকেন। ব্রাজিলের হয়ে মাত্র ২ ম্যাচ খেলা ২১ বছরের তরুণকে সার্জিও র্যামোসের বিকল্প হিসেবে দলে ভেড়ায় লস ব্লাঙ্কোসরা।

জিনেদিন জিদানের চাওয়া ছিল ফরাসি ডিফেন্ডার ফারল্যান্ড মেন্ডি।। লিওঁ থেকে তাই তাকে ৪৮ মিলিয়নে কিনেছে রিয়াল মাদ্রিদ। এই লেফট ফুলব্যাকের সঙ্গে ছয় বছরের চুক্তি করেছে মাদ্রিদ। মূলত মার্সেলোর বিকল্প তিনি।

চেলসির তারকা স্ট্রাইকার এডেন হ্যাজার্ডের সাথে মাদ্রিদ ৫ বছরের চুক্তি করেছে। এই তারকা আনুষ্ঠানিকভাবে মাদ্রিদের যোগ দিয়েছেন। তবে তার চুক্তির অঙ্কের ব্যাপারে জানা যায়নি। যদিও বেশকিছু সংবাদ মাধ্যম বলছে হ্যাজার্ডের পেছনে ১০০ মিলিয়ন বা তার বেশি খরচ করেছে মাদ্রিদ। তবে আপাতত বলা হচ্ছে ১০০ মিলিয়নের কথা।

এছাড়া জাপানিজ মেসি কুবোকে কিনতে রিয়ালের খরচ হয়েছে ১৪ মিলিয়ন। বর্তমানে যত তরুণ তারকা আছেন তাদের মধ্যে অন্যতম প্রতিভাবান বলা হয় কুবোকে। বার্সেলোনার যুবদলের খেলোয়াড় ছিলেন তিনি। জাপান জাতীয় দলে পাশাপাশি খেলতেন টোকিওর একটি ক্লাবে।

এছাড়া লুকা জভিচ-স্ট্রাইকার (ফ্রাঙ্কফুট-৬০ মিলিয়ন), মার্টিন ওডেগার্ড-উইঙ্গার (ভিতাসে-১৪ মিলিয়ন), লুকাস সিলভা -ডিফেন্ডার (ক্রুইজেরা-প্রি ট্রান্সফার) কেও দলে ভিড়িয়েছে তারা।